অর্থ ও বাণিজ্য

রফতানির ২০ ভাগ বিনিয়োগের সুযোগ

নিউজ ডেস্ক২৭ মার্চ ২০১৯৮ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

পাঁচ বছরে গড় রফতানি আয়ের ২০ শতাংশ বিনিয়োগের সুযোগ রেখে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের বিদেশে বিনিয়োগের নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারের এ সংক্রান্ত কমিটি সম্প্রতি খসড়াটি চূড়ান্ত করে একটি প্রতিবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে।

এটি অনুমোদনের জন্য শিগগিরই মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য। নীতিমালার খসড়া অনুযায়ী, ব্যবসায়ীদের বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়ার চূড়ান্ত ক্ষমতা অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির হাতে থাকবে। কিন্তু বিনিয়োগের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করবে সরকার গঠিত প্রপোজাল ইভ্যালুয়েশন কমিটি (পিইসি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিদেশে বিনিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালার খসড়াটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, বিদেশে বিনিয়োগ করলে দুই ধরনের লাভ হবে। প্রথমত, বিদেশ থেকে মুনাফা আসবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বাড়বে।

জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন- এফবিসিসিআইর (ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি) সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, দেশি উদ্যোক্তাদের বিদেশে বিনিয়োগের গাইডলাইন প্রণয়ন ভালো উদ্যোগ। কিন্তু বেশি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রাখা ঠিক হবে না। কারণ বেশি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থাকলে ফলদায়ক হবে না। তিনি আরও বলেন, একজন উদ্যোক্তা সরকারের নিয়মনীতি অনুযায়ী ট্যাক্স দেয়ার পর তার কাছে টাকা বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া উচিত।

চীন তার বিনিয়োগকারীদের বিদেশে ব্যাপক বিনিয়োগের সুযোগ দিয়ে পুরো বিশ্বে রাজত্ব করতে চাইছে। বাংলাদেশেও অনেক উদ্যোক্তার বিদেশে বিনিয়োগের সক্ষমতা রয়েছে। বিদেশ থেকে মুনাফা দেশে আনা সম্ভব। আর দেশে বিনিয়োগ অনুকূল পরিবেশ থাকলে উদ্যোক্তা তখন বিদেশের বিনিয়োগের মুনাফা থেকে দেশেও বিনিয়োগ করতে পারবে। কারণ কোনো উদ্যোক্তা চায় না, তার পুঁজি ঝুঁকিতে পড়ুক।

এ ব্যাপারে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দেশে বিনিয়োগের মন্দা চলছে। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা বিদেশে বিনিয়োগ করতে চায়। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তবে তিনি বলেন, যারা বিনিয়োগ করতে চায়, ওইসব ব্যবসায়ীকে বলতে হবে, দেশ কিভাবে লাভবান হবে।

তাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত, যে টাকা তারা বিদেশে নিতে চায়, ওই টাকা দেশে বিনিয়োগ করতে আপত্তি কোথায়? দেশে বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান বাড়বে। ফলে সরকারকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

নীতিমালার খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, যেসব ব্যবসায়ী দেশের বাইরে পণ্য রফতানি করছে, তারা তাদের সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে পারবে। তবে কোনোভাবেই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে বিনিয়োগ করা যাবে না। বিদেশি কোম্পানি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে মুনাফার অর্থ দেশে পাঠানো যায়- এমন সুযোগ থাকতে হবে। তবে মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসী অর্থায়ন এবং ফৌজদারি অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিনিয়োগ সীমা : খসড়া নীতিমালা অনুসারে রফতানিকারক তার গত ৫ বছরে তার মোট রফতানির ২০ শতাংশ অথবা সর্বশেষ নিরীক্ষিত ব্যালেন্স শিট অনুসারে প্রকৃত সম্পদের ২৫ শতাংশ, এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ অর্থ বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ কোনো ব্যবসায়ী ৫ বছরে মোট ৫শ’ কোটি টাকা রফতানি করল। এতে বছরে তার গড় রফতানি ১০০ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে ওই ব্যবসায়ী সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবে।

সংক্ষেপে একে এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) বলা হয়। তবে ৫০ হাজার ডলার (স্থানীয় মুদ্রায় ৪৪ লাখ টাকা) পর্যন্ত বিনিয়োগের অনুমোদন দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বেশি হলে পিইসির অনুমোদন লাগবে।

যারা আবেদন করতে পারবেন : খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিদেশে বিনিয়োগের অনুমোদনের জন্য এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা অনুসারে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে ৫ বছরে শেষ বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রফতানি থাকতে হবে। রফতানিকারকের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি থাকা জরুরি। অর্থাৎ রফতানির পর টাকা দেশে আনার ক্ষেত্রে আইনে নির্ধারিত ৪ মাস অথবা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত সময়ের মধ্যে থাকছে হবে।

আমদানির বিল পরিশোধ এবং ‘ব্যাক টু ব্যাক’ এলসিতে বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে বিল অব এন্ট্রির অসামঞ্জস্য থাকতে পারবে না। ঋণ পরিশোধ ও পুনর্গঠন করা বড় ঋণ অনিষ্পত্তি অবস্থায় থাকতে পারবে না। কর ও বিলখেলাপিদের বিনিয়োগের সুযোগ নেই। ব্যাংকিং খাতের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্যাসেল ৩-এর গাইডলাইন অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংকের পলিসি রেগুলেশন বিভাগ থেকে ক্রেডিট রেটিংয়ে কমপক্ষে ২ থাকতে হবে।

নীতিমালায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে যে ধরনের ব্যবসা করে, বিদেশে ওই ব্যবসা করার জন্য আবেদন করতে হবে। বিদেশে বিনিয়োগ করলে তা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারবে- এ ব্যাপারে বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদন থাকতে হবে। বিনিয়োগে ভবিষ্যতে ভালো লাভবান হওয়া যাবে- এমন সম্ভাবনা এবং ওইসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের কর্মসংস্থান হবে- এমন নিশ্চয়তা থাকতে হবে। এক্ষেত্রে যেসব জনবল নিয়োগ করা হবে তাদের বিশ্ববাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।

যেসব দেশে বিনিয়োগ করা যাবে : যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের কাজ করা এবং দেশে টাকা পাঠাতে বাধা নেই, ওইসব দেশেই বিনিয়োগ করা যাবে। যে দেশে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বৈতকর নীতি পরিহার চুক্তি রয়েছে। যেসব দেশে বিনিয়োগ করার পর মূলধনী আয়, লভ্যাংশসহ টাকা ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া যেসব দেশের সঙ্গে বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে পারস্পরিক চুক্তি রয়েছে। তবে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অফিস অব ফরেন এসেট কন্ট্রোলের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে- এমন দেশে বিনিয়োগ করা যাবে না। এক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোনো দেশের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিলেও অন্যান্য শর্ত ঠিক থাকলে ওইসব দেশে বিনিয়োগ করা যাবে। এছাড়া ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্সের আইনি সীমার বাইরে এবং যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, ওই দেশে বিনিয়োগ করা যাবে না।

তবে যে দেশে বিনিয়োগ করা হবে, ওই দেশ এবং বাংলাদেশের আইনের মধ্যে পার্থক্য দেখা গেলে সবকিছু বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে। যেসব দেশে বিনিয়োগ হবে, ওইসব দেশে বাংলাদেশের দূতাবাসকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য জানাতে হবে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে : বিনিয়োগ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অথোরাইজড ব্যাংকের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বরাবর আবেদন করতে হবে। সরকারি কমিটি ও বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের বৃহৎ স্বার্থ বিবেচনা করে অনুমোদন বা বাতিলের সুপারিশ করতে পারবে।

এই সুপারিশ মূল্যায়ন করবে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন আইন এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন মানতে হবে। তবে আবেদনকারীকে অবশ্যই মুচলেখা দিতে হবে যেসব তথ্য দেয়া হয়েছে, তা সঠিক। তবে কোনো রকম ভুল তথ্য পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেও দায় নিতে হবে।

মূল্যায়ন কমিটিতে যারা থাকবেন : বিনিয়োগের আবেদন যাচাই-বাছাই কমিটি বা পিইসিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক কমিটির চেয়াম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন। এতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক এবং প্রধান অর্থনীতিবিদ ইউনিটের প্রতিনিধি থাকবেন।

বিদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান কাজী আমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, কী পরিমাণ বিদেশে বিনিয়োগ হল, তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল বিনিয়োগ আসা-যাওয়ার পথটি সহজ করা দরকার। এতে বাংলাদেশেও বিনিয়োগ বাড়বে।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে যে কোনো অঙ্কের টাকা বিনিয়োগও করা যায়, আবার নিয়েও আসা যায়। এ কারণে দেশটি বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে তিনি বলেন, বর্তমানে পৃথিবীর যে কোনো দেশের চেয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ লাভজনক। তাই বিদেশে টাকা নেয়ার যৌক্তিক কোনো কারণ নেই। ফলে বাংলাদেশেই কিভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদেশে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ নীতিমালা তৈরির বিষয়ে সভা হয়। সেখানে সরকারের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠান বিদেশে বিনিয়োগ করলে আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত বিভিন্ন নীতি সহায়তা পাবে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলো মুনাফার অংশ বাংলাদেশে পাঠাবে, যাতে দেশ লাভবান হবে।

এরপর বিদেশে বিনিয়োগের জটিলতা দূর করতে বিডার নির্বাহী সদস্য-১ অজিত কুমার পালকে সমন্বয়ক করে ৬ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। যাতে অর্থ বিভাগ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিডার একজন উপপরিচালককে প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়।

এ কমিটিকে ১ মাসের মধ্যে নীতিমালা তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে বলা হয়। এই কমিটির সুপারিশের আলোকেই নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করে সরকারের আরেকটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছিল ওই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি।

সূত্র জানায়, নীতিমালা খসড়া তৈরির আগেই বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সাল থেকে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছে। এর মধ্যে আকিজ জুট মিলসকে মালয়েশিয়ায় ২ কোটি ডলার (১৬০ কোটি টাকা) বিনিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়। এর আগে ৭টি গ্রুপ ২ কোটি ৪২ লাখ ডলার বিনিয়োগের অনুমতি পেয়েছে।

এর মধ্যে বস্ত্র খাতের দুলাল ব্রাদার্স আফ্রিকার ইথিওপিয়ায় ৮০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করেছে। ওষুধ খাতের প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস কেনিয়ায় ৮০ লাখ ডলার, জ্বালানি খাতের প্রতিষ্ঠান মবিল যমুনা মিয়ানমারে পাঁচ লাখ ১০ হাজার ডলার, ওষুধ খাতের আরেক প্রতিষ্ঠান এসিআই ফার্মাসিউটিক্যালসকে প্যাটেন্টের (স্বত্ব) অর্থ পরিশোধের জন্য ৩০ লাখ ডলার, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস যুক্তরাজ্যে ১৩ হাজার ডলার, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং সিঙ্গাপুরে সাড়ে সাত হাজার ডলার বিনিয়োগ করছে। এছাড়া সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ারিং সাড়ে সাত হাজার ডলার ও বিএসআরএম ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার বিনিয়োগের অনুমোদন পেয়েছে।