রাজশাহী

‘যুগোপযোগী ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার বিষয়’

নিউজ ডেস্ক১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘আধুনিক, যুগোপযোগী ও শক্তিশালী সেনাবাহিনী গঠন বর্তমান সরকারের একটি অগ্রাধিকার বিষয়। বর্তমান সরকারের ‘রুপকল্প ২০২১ এর আলোকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ফোর্সেস গোল ২০৩০ প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোর্সেস গোল অনুযায়ী সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামো বিন্যাস ও পরিবর্তনের পাশাপাশি আধুনিকায়ন প্রক্রিয়াও ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।’

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী ক্যান্টনমেন্টে বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের (বিআইআরসি) দ্বিতীয় বীর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, একটি দক্ষ ও পেমাদার বাহিনী গঠনে আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা অনস্বীকার্য। সে লক্ষ্যে সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষনের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। রিক্রুট ও প্রশিক্ষণকে আরো আধুনিকায়ন এবং যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সামরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সেনা সদস্যদের উচ্চ শিক্ষারও বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এখন সেনাবাহিনীর সকল সদস্য ন্যূনতম উচ্চ মাধমিক স্তরের শিক্ষা অর্জন করছে। একই সাথে সেনাবাহিনীতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার চোখে পড়ার মতো উল্লেখ্য করেন রাষ্ট্রপতি।

 

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে দেশ ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আমি আশা করি, সশস্ত্র বাহিনী অতীতের মতো সুদূর ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতি গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যগণ শুধু দেশের অভ্যন্তরেই নয়, বিশ্ব পরিমণ্ডলেও তাদের কর্মদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে তুলছেন। একজন ভালো সৈনিক, আমৃত্যু সৈনিক।’

 

বক্তব্যের শুরুতেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ এবং ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিকদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টায় রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ পুর্নমিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে অনুষ্ঠিত প্যারেডে আসেন। সেখানে উপস্থিত থেকে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন।

 

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, নিরাপত্তা উপদেষ্টা, নৌ বাহিনী প্রধান, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স/অ