রাজশাহী

ভোটের উৎসব এলাকাজুড়ে

নিউজ ডেস্ক১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ভোটকে কেন্দ্র করে টানা চার দিনের ছুটির ফাঁদে পড়েছে দেশ। সেই ছুটিতে ভোট দিতে এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি ফিরেছেন রাজশাহী অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ। ফলে ভোটকে কেন্দ্র করে যেন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে এলাকা এলাকায়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিশুদের মাঝেও এ ভোটকে কেন্দ্র করে শেষদিকে এসে উৎসাহ-উদ্দিপনাও তৈরী হয়েছে।

রাজশাহীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা রওনক ইসলাম রাজ। ঢাকায় একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করেন। চারদিনের ছুটি পেয়ে রাজশাহী এসেছেন ভোট দিতে। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেকদিন পরে ভোট দিতে এসেছি। বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হলো। বন্ধুদের সঙ্গেও আড্ডা দেয়া হলো। তাই ভালো লাগছে। এবার ভোটও দিতে পারব আশা রাখি। এলাকাতেও মানুষের মাঝে ভোট নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। একটা উৎসব মনে হচ্ছে।’

রাজশাহীর তানোরের গোল্লাপাড়া এলাকার বাসিন্দা মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রাজশাহী শহরে থাকি। রিকশা চালায়। রিকশা বন্ধ করে ভোট দিতে এসেছি এলাকায়। খুব ভালো লাগছে। এবার ভোট নিয়ে মানুষের মাঝে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।’

মোহনপুরের ধুরোইল এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘চট্টগ্রামে একটি ওষুধ কম্পানীতে চাকরি করি। ছুটি নিয়ে বাড়িতে এসেছি ভোট দিতে। অনেকেই এসেছেন দেখছি। ভোট নিয়ে মানুষের মাঝে উৎসাহও আছে। দেশের জন্য ভোটটা এবার খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের মালফিয়া গ্রামের এএসএম রেজওয়ান খোকন পেশায় ব্যবসায়ী। ভোট দিতে গতকালই ঢাকা থেকে পাবনায় গেছেন। কালের কন্ঠকে তিনি বলেন, ১৬ বছর ভোট দিতে পারি নাই, দিনের ভোট রাতে হয়েছে, এবার আর মিস করবো না তাই ঢাকা থেকে চলে আসলাম পরিবারসহ ভোট প্রধানের জন্য মুখিয়ে আছি, বেশ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি সকাল সকাল পছন্দের ভালো প্রার্থীকেই ভোট প্রদান করবো।

পাবনা পৌর এলাকার ৫ নং ওয়ার্ডের ভোটার রফিকুল ইসলাম বলেন দীর্ঘদিন পর সুন্দরভাবে ভোট দিতে যাবো এইজন্য অধির আগ্রহ নিয়ে আছি, কখন ভোট দিবো।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন আসনেই প্রধান নড়ে চড়ে বসেছেন যেন সাধারণ ভোটাররা। এতদিন চুপচাপ থাকা ভোটারদের মুখেও ভোট নিয়ে নানা জল্প-কল্পনা ভেসে আসছে। নারী ও শিশুদেরও মাঝেও ভোট নিয়ে যেন উৎসবের আমেজ দেখা যাচ্ছে।

ভোটের ছুটিতে ঢাকা থেকে বাড়ি এসেছেন এনজিও কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান(৪৫)। ছুটিতে বাড়ি এসেছি। স্ত্রী-সন্তান, বাবা-মা বাড়িতে থাকেন। ভোট দেওয়াও হবে, তাদের সঙ্গে দেখা করাও হলো। ফলে অনেকটায় ভালো লাগছে।

স.আর