লাইফ স্টাইল

ব্যায়াম নাকি খাদ্যাভ্যাস, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কোনটি বেশি কার্যকরী?

নিউজ ডেস্ক১১ নভেম্বর ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

অনেকে ভোরে উঠে ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করেন। অনেক কসরতের পর হয়তো কিছুটা ওজন কমেছে। কিন্তু জানেন কি, মাত্র একটি স্লাইস কেক আপনার যতটা পরিশ্রমে জিমে ঝরানো ক্যালোরি কয়েক মিনিটেই পূরণ করে দিতে পারে? ঘণ্টাখানেকের ব্যায়ামের পরেও যদি ওজন কমছে না, দুশ্চিন্তা নেই। পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণের মূল চাবিকাঠি হলো ডায়েট।

কেবল শরীরচর্চার ওপর নির্ভর করলেই চলবে না; সারা দিনের খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রায় ৮০-২০ নিয়ম মানা হয়। ৮০ শতাংশ ডায়েট, ২০ শতাংশ ব্যায়াম।
কেন ডায়েট এত গুরুত্বপূর্ণ?
পুষ্টিবিদরা বলছেন, শরীরের ওজন ক্যালরির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

ক্যালরি কমানো হলে শরীরে দ্রুত পরিবর্তন আসে। শুধু ব্যায়াম করে ক্যালরি ঝরানো সম্ভব নয়, কারণ সেটি সহজেই পূরণ হয়ে যায় দৈনন্দিন খাবারের মাধ্যমে।
সপ্তাহে ১৫০-৩০০ মিনিট ব্যায়াম করলে কয়েক মাসে ৩-৪ কেজি ওজন কমানো যেতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন কেবল ৫০০ ক্যালরি কম খেলে ফল আরও ভালো।

ইন্টিগ্রেটিভ লাইফস্টাইল এক্সপার্ট লুক কৌটিনহো বলেছেন, ৪৫ মিনিট ব্যায়ামে ৩০০-৪০০ ক্যালরি খরচ হয়, যা একটি পেস্ট্রি বা স্মুদি খেয়ে কয়েক মিনিটে ফিরে আসে। তিনি আরো সতর্ক করেছেন, কেবল ক্যালরি হিসেব নয়, খাবারের গুণমান দেখাও জরুরি। একই ক্যালরি হলেও পেস্ট্রি রক্তে সুগার বাড়ায় এবং মেদ কমানোর প্রক্রিয়া ধীর করে, কিন্তু ডাল-সবজি বা কলা পেশি গঠন ও মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

দীর্ঘদিন ক্যালরি কমানোর পরও ওজন না কমলে ‘ক্যালোরি ব্রেক’ প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সময়ের জন্য ক্যালোরি বৃদ্ধি করে মেটাবলিজমকে পুনরায় সক্রিয় করতে হয়।

একই সঙ্গে মানসিক চাপ, থাইরয়েড, ইনসুলিন হরমোনের মতো শরীরের অভ্যন্তরীণ ফ্যাক্টরের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন