রাজশাহী

বিচার দাবি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক২৬ জুলাই ২০২৫২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রতারক ও জালিয়াত চক্রের হোতা মোস্তাফিজুরের বিচার দাবি ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনকরেছে ভূক্তভোগি বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার বেলা ১১টায় মালোপাড়া রাজশাহী মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, আমি মোঃ মোজাদ্দেদ জামানি সুমন রাজশাহী জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং যুবদল কেন্দ্রীয় সংসদেও রাজশাহী বিভাগের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। আমি দীর্ঘদিন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরেও সক্রিয় ভাবে গণমানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে কাজ কওে এসেছি।

তাই ব্যক্তি হিসেবে আমি কেমন, আমার সামাজিক অবস্থান কেমন- তা নতুন করে ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। আজ আমি আপনাদের সামলে উপস্থিত হয়েছি এক গভীর ষড়যন্ত্র, পরিকল্পিত হয়রানি ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মিথ্যা মামলার বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে অবহিত করতে।

ষড়যন্ত্রের মূলহোতা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান রাজশাহীর অলকার মোড়ের চেম্বার ভবনে অবস্থিত “গ্রীনপ্লাজা প্রপার্টিজ”-এর মালিক। মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান একজন বহুল পরিচিত প্রতারক ও অর্থআত্মসাৎকারী।

তিনি সাবেক মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ও তার স্ত্রী রেনীর ঘনিষ্ঠজন এবং আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের আর্থিক পৃষ্ঠপোষক। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বহুগ্রাহকের অর্থআত্মসাৎ করে ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করা, এক ফ্ল্যাট একাধিকজনের কাছে বিক্রি করা, রাজশাহী চেম্বার অফ কমার্স কর্তৃক মধ্যস্থতা চেষ্টার পরও প্রতারণামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ইত্যাদি তাই জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রতারণা সংক্রান্ত একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

মোঃ আমিনুল ইসলাম, যিনি আমার ছোট ভাই ইমনের বন্ধু, ২০২৩ সালে গ্রীন প্লাজা প্রপার্টিজ-এর একটি ফ্ল্যাট বুকিং দিয়ে মোট ২৭ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেন।  । ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করে মোস্তাফিজ বিভিন্ন সময়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময়ক্ষেপণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত প্রতারণামূলক আচরণে লিপ্ত হন।

টাকা ফেরত চাইলে মোস্তাফিজ সন্ত্রাসীদের দিয়ে হুমকি ও হেনস্থার চেষ্টা করেন।

নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও ফ্ল্যাট হস্তান্তর না করে বরং বুকিং করা ফ্ল্যাটের পরিবর্তে অন্য আরেক জায়গায় ফ্ল্যাট দেবে বলে প্রতিশ্রুতি প্রদান করে এবং সেটিও পরবর্তীতে হস্তান্তরে ব্যর্থ হয়েছেন।

এমতাবস্থায় বুকিংকৃত অর্থ ফেরত চাইলে আমিনুল ইসলাম বিগত সরকারের সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে হেনস্থা করার চেষ্টা করে এবং হুমকি প্রদান করে। মোঃ আমিনুল ইসলাম চেষ্টা করেও তার বিরুদ্ধে তৎকালীন ক্ষমতাসীন শাসক গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার কারণে প্রাণ ভয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেননি।

 

 

প্রতারক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী প্রশাসনের কোন পক্ষের বা মহলের ইন্ধন রয়েছে। আদতেই ইন্ধন রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি দাবি জানাচ্ছি। এই সময়ে আওয়ামীলীগ মদদপুষ্ট একজন কুখ্যাত প্রতারকের এমন দাবি আমাদেরকে শংকিত করেছে।