সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
ওষুধের মতো বালিশ ব্যবহারেরও একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে। মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর এটি ব্যবহার করা ঠিক নয়। কারণ এটি তখন অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। বালিশের কার্যকারিতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসে।
কারণ এটি ঘাম, শরীরের তেল, মৃত ত্বক ও ধুলাবালি শোষণ করে।
বালিশের কারণে অ্যালার্জিও হতে পারে এবং সঠিকভাবে না রাখলে ঘাড় ও পিঠের সমস্যা হতে পারে। যে বালিশে শোয়া হয়, সেটি সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে থাকে। আর সেটিতে ঘাম লাগে।

তা ছাড়া বালিশে থাকা ধুলা-ময়লাও ত্বকে লাগে। সেই ধুলাময়লা শ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসেও যায়। তা থেকেই ত্বকে সংক্রমণের আশঙ্কা যেমন উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তেমনই ফুসফুসের সমস্যাও ক্ষেত্রবিশেষে হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
একেক ধরনের বালিশ একেক রকম জিনিস দিয়ে তৈরি হয়।
পলিয়েস্টার থেকে তুলা, ল্যাটেক্স—একেক রকম উপাদানের বালিশের মেয়াদ একেক রকম হয়।
কত দিন ব্যবহার করবেন
কোন বালিশ কত দিন ব্যবহার করা হবে, তা নির্ভর করছে সেটির উপাদান, কাভার পরিয়ে ব্যবহার করা হয় কি না, কত দিন অন্তর কাভার কাচা হয় তার ওপরে।
সাধারণত পলিয়েস্টার দিয়ে তৈরি বালিশ ৬-৮ মাস ব্যবহার করা চলে। ল্যাটেক্সের বালিশ ২-৩ বছর ব্যবহার করা যায়। বাকহুইট বা সুতার তন্তু ব্যবহারে তৈরি বালিশটি অন্তত ৫ বছর মাথায় দেওয়া যায়।
বালিশ কখন পরিবর্তন করা উচিত
বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতি দুই বছর পর বালিশ পরিবর্তন করা উচিত। আপনার বালিশের নিচের দিকে ভাঁজ বা ঢিবি থাকলে বা এটি পুরনো ও নষ্ট হয়ে গেলে বুঝবেন এটি পরিবর্তন করার সময় এসেছে।
কিভাবে বালিশের আয়ু বাড়াবেন
বালিশের কাভার নিয়মিত ধোয়ার পাশাপাশি বালিশও ধোয়া উচিত, যা বালিশকে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে। কাভার ব্যবহার করলে ঘাম, শরীরের তেল ও ফেস ক্রিমের মতো জিনিস থেকে বালিশকে রক্ষা করা যায়, যা বালিশের স্থায়িত্ব বাড়ায়। বালিশ নিয়মিত পরিষ্কার এবং সঠিক সময়ে পরিবর্তন করা আপনার স্বাস্থ্য ও ভালো ঘুমের জন্য জরুরি।









