নিজস্ব প্রতিবেদক:
রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত মহসীন আলীর দুই ছেলেকে আটকের পর ছেড়ে দিলো পুলিশ। রোববার বিকেল ৫ টার দিকে তাদের নগরীর রাজপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, বিষয়টি সত্যিই অমানবিক। একেতো স্বজন হারানোর ব্যাথা তার উপর তাদের উপরই হামলা করে পুলিশে দেয়া। ইন্টার্ন ডাক্তারদের এমন আচরন মানবিকতার মধ্যে পড়ে না। বিষয়টি বুঝে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, মহসীন আলীর লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিকেলেই হাসপাতালের মর্গে থেকে লাশ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার দুপুরের দিকে বাইসাইকেল ও পাওয়ারট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় মহাসিন আলী আহত হন। তাকে সেইদিন উদ্ধর করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হন। রোববার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যূ হয়। স্বজনদের অভিযোগ ডাক্তারদের অবহেলায় মারা যান মহসিন আলী। এ নিয়ে মহসীন আলীর স্বজনদের সাথে ডাক্তারদের কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দলবল নিয়ে লাঠিসোটা হাতে রোগীর স্বজনদের উপর হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা সিল্কসিটি নিউজকে জানায়, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং রামেক ছাত্রলীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম অপু ও রায়হানের সাথে হাতাহাতি হয় মহসীন আলীর ছেলে আনারুল ও রফিকুল ইসলাম বাবুর সাথে। এরপর দলবল নিয়ে লাঠসোটা হাতে তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে অপু। এ ঘটনার পর ওই ওয়ার্ডে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অন্যান্য রোগীর স্বজনেরা তাদের রোগীদের নিয়ে দিকবিদিক পালিয়ে যায়। পরে ওই ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেয় ডাক্তাররা।
এ ঘটনায় দুই ছেলেকে পুলিশে সোপর্দ করা হয় । তারা হলেন, রফিকুল ইসলাম (৪০) ও আনারুল ইসলাম (৩০)। তাদের আটক করে রাজপাড়া থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বিষয়টি অমানবিক বিকেলে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
স/শ









