লাইফ স্টাইল

বাড়িতে সাকুলেন্টের যত্ন নেবেন যেভাবে

নিউজ ডেস্ক৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

গোলাপ, জবা কিংবা জিনিয়ার পাশাপাশি আজকাল জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সাকুলেন্ট। বাহারি এই পাথুরে গাছ শুধু ঘরের সৌন্দর্যই নয়, বাগানের রূপও বদলে দিতে সক্ষম। অল্প যত্নেই টিকে থাকা সাকুলেন্ট।মরুভূমি বা পাহাড়ি অঞ্চলের হলেও সমতল জায়গাতেও বেড়ে ওঠতে পারে।

পাতায়, কাণ্ডে কিংবা মূলে পানি সঞ্চয়ের ক্ষমতার কারণে এরা দীর্ঘদিন সবুজ থাকে। নানা আকারের পাতা ও অনন্য বিন্যাসের জন্যই এই গাছ ক্রমশ নজর কাড়ছে।
সাকুলেন্টের বিশেষত্ব:
১। স্বল্প যত্নেই সহজে বেড়ে ওঠে।

২। পাতার বিন্যাস আকর্ষণীয়, ফলে দেখতে দৃষ্টিনন্দন।

৩। টেবিল, ছোট বারান্দা, কাচের পাত্র বা টেরারিয়ামে মানিয়ে যায়।

৪। কিছু প্রজাতি ঘরের বাতাস পরিশোধনে সাহায্য করে।

৫। সঠিক যত্নে এই গাছ বহু বছর টিকে থাকতে পারে।

কোন গাছ ঘরে আর কোনটা বাইরে?
ঘরসজ্জার জন্য বেছে নিতে পারেন অ্যালোভেরা, হাওরথিয়া, জেড প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট।

বারান্দায় মানিয়ে যায় একেভেরিয়া, সেদাম ও এগেভ। এ ছাড়াও ডাঙ্কিজ় টেল, স্ট্রিং অব পার্লসসহ নানা প্রজাতির ক্র্যাসুলা ও লিথপ বেশ জনপ্রিয়। অনেক সাকুলেন্ট প্রজাতিতে ছোট রঙিন ফুলও ফোটে।
সাকুলেন্ট বসানো ও পরিচর্যার নিয়ম

টব নির্বাচন:
সাকুলেন্টের জন্য পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকা জরুরি। মাটির টব সবচেয়ে উপযোগী। শিকড় খুব গভীর না হওয়ায় চ্যাপ্টা টব ব্যবহার করা ভালো। অ্যালোভেরা বা বড় ক্র্যাসুলা হলে একটি টবে একটি গাছই রাখুন। ছোট সাকুলেন্ট আলাদা বা মিলিয়ে বসানো যায়। ঝোলানো টবে রাখতে পারেন ডাঙ্কিজ় টেল বা স্ট্রিং অব পার্লস প্রজাতির সাকুলেন্ট ।

মাটি:
২ ভাগ বাগানের মাটির সঙ্গে ১ ভাগ বালি ও ১ ভাগ পিউমাইস মিশিয়ে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি না জমে।

বসানোর নিয়ম:
নার্সারি থেকে আনা গাছের গোড়া আলতো করে আলগা করে নতুন টবে শিকড়-সহ বসাতে হবে। এক টবে একাধিক গাছ বসালে তাদের মধ্যে দূরত্ব রাখা জরুরি।

সূর্যের আলো:
ঘরের ভেতরে রাখলেও অন্তত ছয় ঘণ্টা হালকা রোদ লাগানো প্রয়োজন। আলো-হাওয়ার অভাব গাছের ক্ষতি করতে পারে।

পানি:
নিয়মিত পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মাটি শুকিয়ে গেলে পানি দিতে হবে।