
দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ ঘণ্টায় হাজারের কাছাকাছি। প্রতি সপ্তাহে আগের সপ্তাহের তুলনায় বেশি সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে সংক্রমণের শীর্ষে দেশ, এখনই এমনটা বলতে চাচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, ক্রমাগত সংক্রমণের হার কমতে থাকলে বোঝা যাবে সর্বোচ্চ চূড়া কোনটি। দেশজুড়ে পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে পারলেই আসল চিত্র বেরিয়ে আসবে বলেও মত তাদের।

সংক্রমণের দশম সপ্তাহে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে হাজার। রোববার (১০ মে) থেকে গত সাতদিনের চব্বিশ ঘণ্টার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সংখ্যাটি ঘুরে ফিরে সাড়ে ছয়’শ থেকে আট’শ। সার্বিক বিচারে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে তাহলে কি সংক্রমণের পিকে বাংলাদেশ।
আমরা হয়তো দেখবো, সামনে আক্রান্তের সংখ্যা আরো বাড়তে থাকবে। বাড়তে বাড়তে এক পর্যায় গিয়ে আরো কমে যাবে। যখন সেই কমবে তখন আমরা বলতে পারবো যে পিকে পৌঁছেছি।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন, আমরা এখন বুঝতে পারছি যে উপরের দিকে যাচ্ছি। এখনো পিকের দিকে যাইনি আমরা। ভাইরাসটি এখনো ছড়িয়ে যাচ্ছে।
তারা বলছেন, দিন দশেক থেকে কিছুটা শিথিল লকডাউন তারই প্রভাবে কিনা এমন পরিস্থিতি সেটা ভেবে দেখতে হবে। তাছাড়া দোকানপাট আর গার্মন্টস খুলে দেয়ার ধাক্কা সামলাতে হতে পারে দ্বাদশ সপ্তাহে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রিদওয়ানউর রহমান বলেন, চিকিৎসার পাশে সাথে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করতে হবে। সাথে সামাজিক দূরত্ব ও যেসব স্বাস্থ্যবিধি রয়েছে সেগুলো মানতে হবে।
চলাচল বাড়লেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।
সূত্রঃ সময়








