সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি মাইলাম বলেছেন, বাংলাদেশ এখন আরও বড় সুযোগ পেয়েছে আরও পরিচিত এবং অগ্রসর দেশ হওয়ার। সব বাংলাদেশি এখন দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে নতুন করে গড়ার কাজ করবে। আমরা কাজ করতে চাই বাংলাদেশের সঙ্গে।
তিনি সোমবার ঢাকায় ‘ট্রাম্পের আমলে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক’ বিষয়ক এক গোলটেবিল বৈঠকে এ মন্তব্য করেন। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) এই সেমিনারের আয়োজন করে। মাইলাম বর্তমানে ‘রাইট টু ফ্রিডম’ নামের একটি সংস্থার প্রেসিডেন্ট। অনুষ্ঠানে রাইট টু ফ্রিডমের নির্বাহী পরিচালক জন এফ ডানিলোয়িজ এবং বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইস ইন্সষ্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরও বক্তব্য রাখেন। গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আইবিএফবি সভাপতি লুৎফুন্নেসা সউদিয়া খান।

মাইলাম বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি নাটকীয় মোড়ে পৌঁছেছে। শেষ নির্বাচনের পর আমি ভেবেছিলাম বাংলাদেশ একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আমরা জানি, বাংলাদেশে একটি নির্বাচন হবে। সকল ধরনের ইস্যু নিয়ে কাজ করা হবে। শক্তিশালী ও স্থিতিশীল গণতন্ত্রের জন্যে সহায়তা করতে আমাদের সংস্থা কাজ করবে। আমি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও কিছু কিছু আইডিয়া দিতে চাই।
জন এফ ডানিলোয়িজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে এখনই ভবিষ্যৎবাণী করা একটু তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চিন্তাধারাতে চলার এখন একটি বড় যাত্রা শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির মধ্যে অবশ্যই একটি সম্পর্ক আছে। বাংলাদেশই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করছে শুধু তাই নয়, অন্যরাও করছে। বাংলাদেশে উগ্রবাদ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে অনেক ডিজইনফরমেশন ছড়াচ্ছে। মিথ্যাকে মিথ্যা দিয়ে নয়, সত্য দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে।
ডিপ স্টেট সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে জন ডানিলোয়েজ বলেন, রাষ্ট্রীয় পলিসি নিয়ে কাজ করার জন্যে যদি বিভিন্ন পদ্ধতি নেওয়া হয় সেটা ডিপ স্টেট নয়। সেটা স্টেট পলিসি। এ নিয়ে বাংলাদেশ এবং বিভিন্ন দেশে অনেক মিসইনফরমেশন আছে। ইউএসএআইডির অনুদান বন্ধ প্রসঙ্গে বলতে চাই, এটা যতটা না আন্তর্জাতিক পলিসির কারণে, তার চেয়ে বেশি অভ্যন্তরীণ কারণে করা হয়েছে।
সূত্র: যুগান্তর









