সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে জায়গা বরাদ্দের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছে সাত প্রতিষ্ঠান।
সোমবার বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে গত ২৮ নভেম্বর জায়গা বরাদ্দ পায় প্রতিষ্ঠানগুলো। যার মধ্যে কয়েকটি এরই মধ্যে জায়গা বুঝেও নিয়েছে। অন্যরা আজ সোমবার তা বুঝে নিল।
সোমবার সাত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করার সময় জানানো হয়, আমরা হোল্ডিংসকে ৩.৫০ একর জমি বরাদ্দ প্রদান করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি সেখানে মোবাইল কারখানা করবে। আগামী তিন বছরে ২৩১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। আর পাঁচ শতাধিক লোকের কর্মসংস্থান করবে প্রতিষ্ঠানটি।
ডেভ নেট লিমিটেড পেয়েছে ২ একর জায়গা। এখানে তারা আইটি সার্ভিস, আইওটি প্রোডাক্ট, ডকুমেন্ট স্ক্যানিং, রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করবে। কোম্পানিটি সেখানে ২০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করবে, এতে করে প্রায় ৪০০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের অনুকূলে যাচ্ছে দুই একর জমি। প্রতিষ্ঠানটি সেখানে ডেটা সেন্টার ও আইটি প্রোডাক্ট উৎপাদন করবে। কোম্পানিটি সেখানে বিনিয়োগ করছে ৭৫ কোটি টাকা।
মিডিয়া সফট ডাটা সিস্টেম লিমিটেডকে দেওয়া হচ্ছে এক একর জমি। হার্ডওয়্যার পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে এই কোম্পানিটি বিনিয়োগ করবে ১১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে প্রায় ৬০০ জনের।
ইউ ওয়াই সিস্টেম লিমিটেডকে দেওযা হয়েছে এক একর জমি। কোম্পানিটি সেখানে প্রিন্টিড সার্কিট বোর্ড উৎপাদন এবং স্মার্ট হোম ও ফ্লিট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নিয়ে কাজ করবে। প্রায় ৫০০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কোম্পানিটি এখানে বিনিয়োগ করছে ১৯ কোটি টাকা।
এর আগে গত ২৮ নভেম্বর এসবি টেল এন্টারপ্রাইজকে মোবাইল ফোন সংযোজন ও উৎপাদন করবে। এই কোম্পানিটি বাংলাদেশে সিম্ফোনি মোবাইল ফোন সংযোজন ও বাজারজাতকরণ করে। এদেরকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৮.১৬ একর জমি। কোম্পানিটি সেখানে আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় ১২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে এবং প্রায় তিন হাজার লোকের কর্মসংস্থান করার কথা জানিয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর আরও ৯ প্রতিষ্ঠানকে জায়গা বরাদ্দ দেয় বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বেগম বলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতায় নির্মিত বা নির্মিতব্য হাইটেক পার্ক সমূহে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসবের মধ্যে লন্ডনে সেমিনার, রোডশোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন কালিয়াকৈরে ৩৫৫ একর জমির উপর স্থাপিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটি ফ্লাগশিপ প্রকল্প। আমরা আশা করি হাইটেক পার্ক, সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কগুলো সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিক্স ইত্যাদি পণ্য রপ্তানী মূল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনু্ষ্ঠানে কোম্পানিসমূহের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









