ছবিঘর

পুরস্কার কিন্তু চূড়ান্ত অর্জন না

নিউজ ডেস্ক১৫ নভেম্বর ২০২৫৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

আপনিও একসময় সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। এখন আরটিভির ‘লিটল স্টার’-এর বিচারক হলেন। প্রতিযোগী থেকে বিচারকের আসনে আসার অভিজ্ঞতা কেমন?

বেশ ভালো। তবে বাচ্চাদের গানের বিচার করা কঠিন।

ওরা এত মিষ্টি। প্রতিভা যেমন আছে, তেমনি একেকজনের অঙ্গভঙ্গি খুব কিউট। এ কারণে মুশকিলে পড়ে যেতে হয়। তবে ওভারঅল অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা হলো।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা, তাঁরা আমাকে বিচারক হিসেবে ভেবেছে।

প্রতিযোগিতা কি শেষ?

হ্যাঁ, আমাদের শুটিং পর্ব শেষ। এখন প্রচার বাকি।

 

এর আগে কখনো বিচারক হয়েছিলেন?

না।

তবে প্রস্তাব পেয়েছিলাম। এবার রাজি হলাম বাচ্চাদের জন্য। ওদের সঙ্গে সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা হবে ভেবেই কাজটা করলাম।

প্রতিযোগী ছিলেন, এবার হলেন বিচারক; দুই দিক থেকেই অভিজ্ঞতা হলো। এ রকম রিয়ালিটি শোতে প্রতিযোগীদের মূল চ্যালেঞ্জ কী?

সত্যি বলতে, অংশ নেওয়াই চ্যালেঞ্জের।

আমরা যারা লাইট, ক্যামেরা, মাইক্রোফোন—এসবে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, তাঁদের জন্য ব্যাপারটা সহজ। কিন্তু যারা প্রতিযোগী, তাদের জন্য সহজ নয়। ফলে প্রথম দিকের পারফরম্যান্সে নিজের সেরাটা দিতে পারে না। এর পরও যারা হতাশ না হয়ে চেষ্টা করে যায়, তারা ঠিকই এগোতে পারে। যেমন—আমি প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট-সেকেন্ডও হইনি, টপ-৭ পর্যন্ত উঠেছিলাম। অথচ আমার ব্যাচের যারা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়; তারা কেউই এখন গানে নেই! সুতরাং ব্যাপারটা ধৈর্যের, চর্চার। পাশাপাশি পরিবারের সাপোর্টও খুব দরকার।

সংগীত প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায়, বিজয়ীরা হারিয়ে যায়। বরং একটু পিছিয়ে থাকা প্রতিযোগীরা পরে সফল হয়ে ওঠে। এর রহস্যটা কী?

ওই যে বললাম, ধৈর্য আর চর্চা। দেখুন, পুরস্কার কিন্তু চূড়ান্ত অর্জন না। কেউ যদি চ্যাম্পিয়ন হয়েই ভেবে নেয়, তার সব অর্জন হয়ে গেছে; তাহলে তো শেষ। কিন্তু কেউ যদি গানটাকে ভালোবেসে চর্চা চালিয়ে যায়, কচ্ছপের গতিতে হলেও সে একদিন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে।

 

এবার আপনার নতুন গানের প্রসঙ্গে আসি। ‘চুড়ি ছমছম’ নিয়ে বলুন…

অনেক দিন পর আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে গান প্রকাশ করছি। এটা লিখেছেন আবির, সুর-সংগীত তানভীরের। ভিডিওতে পারফরম করেছে রুকাইয়া জাহান চমক। ট্রেন্ডি ঘরানার গান, ওয়েডিং সংও বলা যায়। আগামীকাল [আজ] গানটি আসবে আমার চ্যানেলে।

 

আপনাকে শ্রোতারা সফট মেলোডিয়াস গানে বেশি পছন্দ করে। সে হিসেবে ‘চুড়ি ছমছম’ কি নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা?

ব্যাপারটা তেমন নয়। আমি আগেও এ ধরনের গান করেছি। যেহেতু চলচ্চিত্রে খুব বেশি গান করা হয়নি, তাই চেষ্টা করি নিজ থেকেই ফিল্মি ধাঁচের কিছু গান করতে। আমি রিয়ালিটি শো থেকে উঠে এসেছি, সেখানে অনেক জনরার গান করতে হয়েছিল। এখন নিজের চ্যানেল থেকেও তাই বিভিন্ন ধাঁচের গান করি।

 

এটা ছাড়া নতুন আর কী গান করছেন?

বেশ কিছু গান আছে হাতে। গানগুলোতে ভেরিয়েশনও আছে। কিছু গান সফট মেলোডিয়াস, কিছু এ রকম ট্রেন্ডি। আবার কাভার গানও আছে তালিকায়। সময় বুঝে এক এক করে প্রকাশ করব।

 

লাইভ কনসার্টের কী খবর?

এই যে এখন [গতকাল বিকেল] গাড়িতেই আছি, গাজীপুরে যাচ্ছি একটি কনসার্টে। মৌসুম তো শুরু হলো, আশা করছি ভালো যাবে। কারণ এ বছর তুলনামূলক কম শো হয়েছে। আমরা যারা শিল্পী, আমাদের ভালো লাগা, আনন্দ সবই তো স্টেজে। তাই আয়োজক, পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি আহবান থাকবে, তাঁরা যেন আয়োজনে নিয়মিত হন।