ধর্ম

পাপ থেকে মুক্তি কামনায় জুমাতুল বিদায়, রাজশাহীর মসজিদে মুসল্লিদের ঢল

নিউজ ডেস্ক২২ মে ২০২০২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘আলবিদা, আল বিদা, ইয়া শাহর রামাদান। অর্থাৎ বিদায়, বিদায় হে মাহে রমজান। খুতবায় উচ্চারিত হয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে এবং ইহকাল ও পরকালের মুক্তি কামনায় বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে পবিত্র জুমাতুল বিদা পালিত হয়েছে।

আজ (২২ মে)  পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবার জুমাতুল বিদা হিসেবে প্রতিবছর পালন করেন মুসলমানরা। রমজান মাসজুড়ে রোজা রাখা আর ইবাদত-বন্দেগির অংশ হিসেবে এদিন নাজাত প্রার্থনা করেন সবাই। কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজানের শেষ জুমায় শামিল হন।

জুমার আজানের পর রাজশাহীর কেন্দ্রীয় শাহ্ মখদুম (রহ.) দরগা মসজিদ, সাহেব বাজার বড় মসজিদ শিরোইল কলোনী মসজিদ ও হেতম খাঁ মসজিদসহ সব মসজিদে নামাজে আজ বাড়তি ভিড় লক্ষ করা যায়।

জুমার দুই রাকাত নামাজ শেষে রাজশাহীসহ গোটা দেশ ও জাতির সুখ, সমৃদ্ধি, কল্যাণ ও মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া করা হয় বছরের বাকি দিনগুলোতে যেন পাপ ও অকল্যাণ থেকে মুক্ত থাকা যায় সেজন্য।

নামাজ আদায়ের পর মহানগরীর গৌরহাঙ্গা, টিকাপাড়া, কাদিরগঞ্জ, হেতম খাঁসহ বিভিন্ন কবরস্থানে বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের কবর জিয়ারত করতে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস রমজানের শেষ জুমা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালন করে থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। একইসঙ্গে এ দিনকে আল কুদস দিবস হিসেবেও অভিহিত করা হয়।

ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, রমজান মাসের সর্বোত্তম বা উৎকৃষ্ট দিবস হলো জুমাতুল বিদা। রমজান মাসের শেষ শুক্রবার অথবা শেষ জুমাবারের দিন জুমাতুল বিদা হিসেবে মুসলিম বিশ্বে পরিচিত। এ মাসের শেষ জুমার দিন পালিত হয় আল কুদস দিবস। তাই দিনটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম।

স/অ

আরো পড়ুন …

ইচ্ছা করে রাসিকের বৈদ্যুতিক লাইট নষ্ট, জড়িত থাকতে পারেন রাঘব বোয়ালরাও