সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
সামনে আসছে বাঙ্গালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। এইদিন বাঙ্গালিয়ানায় বরণ করা হয় বাংলার নতুন বছরকে। বাহারি রঙে সাজে এই বাংলা। সর্বত্রই চোখে পড়ে তরুণ-তরুণীদের বাহারী সাজ। শুধু সাজেই নয়, থাকে বাঙ্গালি সব খাবার। কেউ ইলিশ-পান্তা আবার কেউ বিভিন্ন স্বাদের ভর্তার আয়োজন করেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন এখন থেকেই মুখোরোচক সব ভর্তার রেসিপি শিখে ফেলতে হবে। তাহলে আর দেরি কেন চলুন শিখে নেয়া যাক কিছু ভর্তার রেসিপি-
কালিজিরা ভর্তা:
কালিজিরা ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে।কালিজিরা হালকা করে ভেজে নিতে হবে।এখন যেভাবেই হোক এটাকে ভালো করে গুঁড়া করে নিতে হবে।এবার কাঁচা মরিচ, পেয়াজ কুচি এবং লবণ দিয়ে মেখে নিতে হবে।তৈরি হয়ে গেল কালিজিরা ভর্তা।এখন আপনার পছন্দ অনুয়ায়ী পরিবেশন করুন

চিনা বাদাম ভর্তা:
প্রথমে চিনা বাদামের খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে।এরপর বাদামের গায়ে লেগে থাকা লাল খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে।কাঁচা বাদাম হলে একটু ভেজে নিতে হবে। তবে আগে থেকে ভাজা থাকলে আর ভাজতে হবেনা।এখন বাদামগুলোকে শিল-পাটায় বেটে নিতে হবে।বাটা বাদামের মধ্যে একটু লবণ এবং সরিষার তেল এবং ধনিয়াপাতা কুচি দিয়ে মেখে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেল চিনা বাদামের ভর্তা। এই ভর্তা শীতের দিনে বেশ কয়েকদিন রেখে খাওয়া যায়।

তিল ভর্তা:
কালো তিল হলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। তবে সাদা তিল দিয়েও ভর্তা বানানো যায়। তিলগুলোকে একটু ভেজে নেওয়া যেতে পারে। এখন বেটে নিতে হবে। বাটার সময় একটু লবণ দিয়ে নিলে ভালো হয়। তাহলে পরে আর লবণ দিতে হবেনা। সাথে একটু ধনিয়া পাতা দিয়ে মেখে নানা ভাবে পরিবেশন করতে পারেন। এই ভর্তা কয়েকদিন পর্যন্ত রেখে খাওয়া যায়।
কাঁচা কলার খোসা ভর্তা:
কাঁচা কলা থেকে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এবার খোসাগুলোকে কুচিকুচি করে কেটে নিতে হবে। একটু গরম পানি দিয়ে কাটা খোসাগুলো ধুয়ে নিতে হবে।এখন গরম তেলের উপর অল্প পরিমান কালিজিরা এবং রসুন দিয়ে একটু ভেজে নিতে হবে। এবার কুচিকুচি করে কাটা কলার খোসাগুলোর সাথে কাঁচা মরিচ এবং পেয়াজ দিয়ে ভেজে নিতে হবে। ভাজার সময় পরিমাণমত লবণ এবং হলুদ দিতে হবে। ভাজা শেষে গরম গরম বেটে নিয়ে একটু সরিষার তেল দিয়ে মেখে নিতে হবে। এবার আপনার পছন্দমত পরিবেশন করুন।









