অর্থ ও বাণিজ্য

‘পণ্য আমদানির শর্ত শিথিল করতে বলেছে আইএমএফ’

নিউজ ডেস্ক৮ মে ২০২৪৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

পণ্য আমদানির শর্ত শিথিল করতে বলেছে আইএমএফ— এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, ডলার সঙ্কটের কারণে বেশ কিছু পণ্য বিশেষ করে গাড়িসহ বিলাসজাত পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি করা হয়েছিল। এসব পণ্য আমদানিতে শতভাগ মার্জিন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে। এর প্রভাবে পণ্য সামগ্রিক আমদানি অর্ধেকে নেমে এসেছে।

এমনি পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফ বিদ্যমান এলসি মার্জিন শিথিল করতে পরামর্শ দিয়েছে। আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পাওয়ার শর্ত হিসেবে সফররত সংস্থাটির প্রতিনিধিদলের সদস্যদের বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংককে এ পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বৈঠকের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্র জানিয়েছে, “৪৭০ কোটি ডলার ঋণের তৃতীয় কিস্তি হিসেবে ৬৮ কোটি ডলার ছাড়ের জন্য আইএমএফ যেসব শর্ত দিয়েছিলো, ইতোমধ্যে তার বেশির ভাগই পূরণ করা হয়েছে। তবে, শর্ত অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ করা যায়নি।”

এর কারণ তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য মার্চ শেষে ১৯ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার ও জুন শেষে ২০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার নিট রিজার্ভ সংরক্ষণের শর্ত ছিল আইএমএফের। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের নিট রিজার্ভের পরিমাণ প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, তবু ‘ভূমিহীন, গৃহহীন’— এটি প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, যেখানে বলা হয়েছে যে ২০১৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠিত ১৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী ক্যাম্পাস নেই। এমনকি, এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪টির জন্য কোনও ভূমি অধিগ্রহণই হয়নি। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কলেজের শ্রেণিকক্ষে, বিদ্যালয়ের ভবনে ও ভাড়া করা জায়গায় চলছে।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব ক্যাম্পাসহীন এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডিজিটাল এবং কৃষিশিক্ষার মতো বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। সরকার ২০১৩ সালে এসব বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন করেছে।

এরপর শিক্ষক নিয়োগ নেওয়া হয়েছে, শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে, কিন্তু সব ক’টির স্থায়ী ক্যাম্পাসের ব্যবস্থা হয়নি বর্তমানে তিনটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ চলছে। এর বাইরে কোনোটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। তবে ১৪টির জমিও নেই, ভবনও নেই।

লড়াই আওয়ামী লীগেই তবু সংঘাতের শঙ্কা— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে তৈরি করা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার ১৩৯ উপজেলায় ভোট।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ ধাপে ১৫২ টি উপজেলার তপশিল দিলেও পাঁচটির সব ক’টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

উচ্চ আদালতের আদেশসহ নানা কারণে স্থগিত হয়েছে আট উপজেলার ভোট। তবে বাকিগুলোতেও লড়াই হচ্ছে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে। নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় অন্তত ৮০ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এর পরও দলটির যেসব নেতা ভোটে আছেন, তারা শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেননি ক্ষমতাসীন প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

Bangladesh to seek over 36b yuan in Chinese loans— এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ তার ডলারের ওপর রিজার্ভের চাপ কমাতে চীনের কাছ থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের সমতূল্য ৩৬ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি পরিমাণ ঋণ চাইবে।

সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সূত্রের মতে, ব্যবসার কাঁচামাল আমদানিতে এবং বাজেট সহায়তার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করবে বাংলাদেশ।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে এবং ২২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ইতোমধ্যেই অনুমোদন দিয়েছে এবং কর্মকর্তারা এখন সুদের হার এবং অর্থ পরিশোধের সময়কাল নিয়ে আলোচনা করছেন। কীভাবে এবং কোথায় ওই অর্থ ব্যয় হবে, তা নিয়েও আলোচনা করছেন তারা।

ট্যাগ: