সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
গরম ভাতের সঙ্গে আলু সিদ্ধ, কাঁচা মরিচ আর এক চামচ ঘি; বাঙালির জন্য প্রিয় খাবার। স্বাদের জন্য ভালো হলেও, নিয়মিত ও অতিরিক্ত ঘি-মাখন খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো নয়। কারণ, এসব খাবারে থাকে উচ্চমাত্রার ফ্যাট, যা কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করে। শুধু ঘি-মাখন নয়, প্রতিদিন চিজ বা ক্রিম খাওয়াও শরীরের ক্ষতি করতে পারে।
তবে চিন্তার কিছু নেই। স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিলে স্বাদও পাওয়া যাবে, আবার শরীরের ক্ষতিও হবে না। চলুন, জেনে নিই।
ঘিয়ের বিকল্প: পিনাট বাটার ও আমন্ড বাটার
রুটিতে ঘি মাখিয়ে খাওয়ার বদলে ব্যবহার করতে পারেন পিনাট বাটার।

এতে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। আর ঘিয়ের আরও একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে আমন্ড বাটার। যা আপনি দুধে মিশিয়ে খেতে পারেন।
মাখনের বদলে: অলিভ অয়েল
মাখনের বদলে রান্নায় ব্যবহার করুন অলিভ অয়েল।
এতে রয়েছে মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন স্যুপ, পাস্তা, হালকা ভাজা খাবার ও সালাদ ড্রেসিংয়ে। এমনকি পাউরুটি ভেজেও খেতে পারেন।
ক্রিমের বিকল্প: নারকেলের দুধ ও নারকেল ক্রিম
আজকাল বাজারে সহজেই পাওয়া যাচ্ছে নারকেলের দুধ ও নারকেল ক্রিম। এগুলোতে চর্বি থাকলেও তা স্বাস্থ্যকর ও কোলেস্টেরল বাড়ায় না।
গ্রেভি ঘন করতে, স্যুপে বা ডেজার্টে দুধ বা ক্রিমের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন নারকেলের দুধ।
চিজের বিকল্প: অ্যাভোকাডো বা ছানা
চিজের বদলে অ্যাভোকাডো খেতে পারেন। এটি রুটি, পাউরুটি বা চিপসের সঙ্গেও খাওয়া যায়। আরেকটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প হলো ছানার পেস্ট। বাড়িতে তৈরি ছানাকে ভালো করে মেখে অথবা ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্ট বানিয়ে চিজের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
সূত্র : এই সময়









