সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
সুরা হুজুরাত : আয়াত : ৩-৫

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
اِنَّ الَّذِیۡنَ یَغُضُّوۡنَ اَصۡوَاتَهُمۡ عِنۡدَ رَسُوۡلِ اللّٰهِ اُولٰٓئِكَ الَّذِیۡنَ امۡتَحَنَ اللّٰهُ قُلُوۡبَهُمۡ لِلتَّقۡوٰی ؕ لَهُمۡ مَّغۡفِرَۃٌ وَّ اَجۡرٌ عَظِیۡمٌ ﴿۳﴾
اِنَّ الَّذِیۡنَ یُنَادُوۡنَكَ مِنۡ وَّرَآءِ الۡحُجُرٰتِ اَكۡثَرُهُمۡ لَا یَعۡقِلُوۡنَ ﴿۴﴾
وَ لَوۡ اَنَّهُمۡ صَبَرُوۡا حَتّٰی تَخۡرُجَ اِلَیۡهِمۡ لَكَانَ خَیۡرًا لَّهُمۡ ؕ وَ اللّٰهُ غَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ ﴿۵﴾
সরল অনুবাদ
(৩) যারা আল্লাহর রাসুলের সামনে নিজেদের কণ্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাদের অন্তরকে আল্লাহ-ভীরুতার জন্য পরীক্ষা করেছেন। তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।
(৪) যারা কক্ষসমূহের পিছন হতে আপনাকে উচ্চ স্বরে ডাকে তাদের অধিকাংশই নির্বোধ।
(৫) আপনি বের হয়ে তাদের নিকট আসা পর্যন্ত যদি তারা ধৈর্যধারণ করত, তাহলে তাই তাদের জন্য উত্তম হত।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
৩ নং আয়াতে প্রশংসা করা হয়েছে সেসব লোকদের, যাঁরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ামাল্লাম-এর মান-মর্যাদার প্রতি খেয়াল করে নিজেদের কণ্ঠস্বর নীচু রাখতেন।
৪ নং এই আয়াতটি বনী তামীম গোত্রের কিছু বেদুঈন (অভদ্র) লোকদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে; তারা একদা দুপুর বেলায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ামাল্লাম-এর বিশ্রামের সময়, তাঁর ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে অসভ্য ভঙ্গিতে ‘ওহে মুহাম্মাদ! ওহে মুহাম্মাদ!’ বলে ডাকাহাঁকা করতে লাগল; যাতে তিনি বেরিয়ে আসেন। (মুসনাদ আহমাদ ৩/৪৮৮, ৬/৩৯৪)
এরই প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ তায়ালা বললেন, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।
৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে তারা যদি তাড়াহুড়ো না করে আপনার বের হওয়ার অপেক্ষা করত এবং আপনাকে ডাকার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো না করত, তবে তা দ্বীন ও দুনিয়া উভয় দিক দিয়ে তাদের জন্য উত্তম হত। কিন্তু মহান আল্লাহ চরম ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু এই জন্য তাদেরকে সাথে সাথে পাকড়াও করেননি, বরং আগামীতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ামাল্লাম-এর প্রতি আদব ও শ্রদ্ধা-সম্মানের খেয়াল রাখার তাকীদ করে দিলেন।









