রাজশাহী

ধর্ষণের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিলো প্রতিবন্ধি নুরিকে

নিউজ ডেস্ক৯ ডিসেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

প্রথমে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছিলো মহানগরীর চন্ডিপুর এলাকায় প্রতিবন্ধি শিশু এ্যানি খাতুন নুরিকে (১১)। এদিকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের সার্থে তার নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

আজ শুক্রবার বিকেল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার এনামুল হক  বলেন, প্রথমে ধর্ষণ ও পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে প্রতিবন্ধি শিশু এ্যানি খাতুন নুরিকে। এদিকে দুপুর দুইটার দিকে রাজপাড়া থানার (ওসি) আমান উল্লাহ একজনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

ময়নাতদন্তকারী ডাক্তার এনামুল হক  বলেন, প্রতিবন্ধি শিশু এ্যানিকে প্রথমে ধর্ষণ করা হয়। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে ধর্ষক ধর্ষণের ঘটনা চাঁপা দিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

এদিকে, ওসি আমান উল্লাহ বলেন, এ ঘটনার পরে নিহতের চাচা স্বপন রাজপাড়া থানায় এসে মামলা করেছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে জড়িতের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের সার্থে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছেনা।

নিহতের চাচা স্বপন জানায়, আমি (স্বপন) বাদি হয়ে আমার ভায়ের মেয়ে হত্যা করার দায়ে রাজপাড়া থানায় একটি মামলা করেছি। হত্যাকারীরা হত্যা করে নির্জনস্থান বলে তারা সেখানে ফেলে চলে গেছে। আমি এ হত্যকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই। আর যেনো এরক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা না ঘটে। সে একজন প্রতিবন্ধি মেয়ে তাকে এ ভাবে হত্যা করা বিষয়টি ভাবতেই কেমন লাগে।

এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর চন্ডিপুর এলাকা ওই মানসিক প্রতিবন্ধি কিশোরী এ্যানি খাতুন (১১) খুন হয়। তিনি একই এলাকার রতন আলীর মেয়ে। তিনি নিখোঁজের দুই দিন পরে ওই কিশোরীর লাশ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে চন্ডিপুরের একটি পরিত্যক্ত জমির জঙ্গলের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয়।

পরে তার লাশ ময়নাতন্তেন জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে তার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়। এই ঘটনার পরে রাতেই চাচা স্বপন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা করে।

 

স/আ