নিজস্ব প্রতিবেদক :
১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে তৃতীয় দিনের মত রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে তাদের এই কর্মসূচি, চলে দুপুট ১২টা পর্যন্ত। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মসূচিতে ভোগান্তিতে পড়েন রোগীরা। কর্মবিরতির কারণে
রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এর মত পরীক্ষা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিলো।
আন্দোলনকারীরা জানান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদ সৃষ্টির পর থেকে তাতে পদোন্নতির কোন সুযোগ রাখা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়ে ও তা বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, তাদের দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়েব উপস্থাপিত হলেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
দাবি মেনে নেয়া না হলে থেকে কমপ্লিট শাট-ডাউন পালনের হুশিয়ারি দেয়া হয়।
এই আন্দোলনে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনেকেই এই কর্মসুচীতে যুক্ত হন।
এর আগেও গত দুদিন কর্মবিরতি করেছেন আন্দোলনকারীরা।পালন করছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে তাদের এই কর্মসূচি, চলে দুপুট ১২টা পর্যন্ত। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মসূচিতে ভোগান্তিতে পড়েন রোগীরা। কর্মবিরতির কারণে
রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই এর মত পরীক্ষা সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বন্ধ ছিলো।
আন্দোলনকারীরা জানান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট পদ সৃষ্টির পর থেকে তাতে পদোন্নতির কোন সুযোগ রাখা হয়নি। বারবার আশ্বাস দিয়ে ও তা বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, তাদের দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়েব উপস্থাপিত হলেও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাব, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
দাবি মেনে নেয়া না হলে থেকে কমপ্লিট শাট-ডাউন পালনের হুশিয়ারি দেয়া হয়।
এই আন্দোলনে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনেকেই এই কর্মসুচীতে যুক্ত হন।
এর আগেও গত দুদিন কর্মবিরতি করেছেন আন্দোলনকারীরা।
তৃতীয় দিনের মত রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে অর্ধদিবস কর্মবিরতি









