রাজশাহী

জেলা পরিষদ নির্বাচন: বাদশা‘র প্রত্যাহার তবুও সরকারকে নিয়ে চাপে ভুলু

নিউজ ডেস্ক১১ ডিসেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়িয়েছেনিআওয়ামী লীগ নেতা শফিকুর রহমান বাদশা। রবিবার দুপুরে নগরীর রাজপাড়া থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীতার মনোনয়নপত্রটি প্রত্যাহারের আবেদন করেন তিনি। এর ফলে এখন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রইলেন দুজন।

 

তারা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত ও সদ্য সাবেক জেলা প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলু এবং বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী সরকার।

 

আর মোহম্মদ আলী সরকারকে নিয়েই এখন বিপাকে রয়েছেন ভুলু। শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলেও হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে মোহম্মদ আলী সরকারকে নিয়েই চিন্তিত ছিলেন ভুলু। বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের কারণে আরো চিন্তার ভাঁজ বাড়বে বলেও মনে করছেন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধি ভোটাররা।

 

রবিবার দুপুরে শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, চেয়ারম্যান প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলু, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, প্রচার সম্পাদক নওসের আলী প্রমুখ।

 

এর আগে দুপুরে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি সভাতেও ‍ভুলুকে ভোট দিতে আহ্বান জানানো হয় ভোটারদের প্রতি। কিন্তু তারপরেও ভুলুর প্রতি নাখোশ রাজশাহীর ভোটাররা। যারা হলেন, রাজশাহী নয়টি উপজেলার চেয়ারম্যান, ১৪টি পৌর সভার মেয়র, কাউন্সিলর এবং ৭২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে রয়েছেন।

 

নিয়ম অনুযায়ী এসব জনপ্রতিনিধিরাই হলেন জেলা পরিষদের ভোটার। কিন্তু রাজশাহীর এসব জনপ্রতিনিধিরা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামা-ডোল শুরু হওয়ার আগ থেকেই ভুলুর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে নাখোশ হয়ে আছেন। ফলে শফিকুর রহমান বাদশা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেও ভুলু তেমন স্বস্তিতে নাই বলে দাবি করেছেন সাধারণ ভোটাররা।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভোটার সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, ভুলুর প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে যিনিউ থাকবেন, তিনিই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভুলুর কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরক্ত ভোটাররা। তাই শক্ত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের দিকেই ঝুঁকে আছেন ভোটাররা।

 

স/আর