সিল্কসিটিনিউজে ডেস্ক:

গ্রিন টি : গ্রিন টি-তে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, বিশেষ করে ক্যাটেচিন থাকে। এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে।
লেবু-গরম পানি : সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে অর্ধেক বা একটি গোটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করে এবং মেটাবলিজম বা বিপাকহার বাড়ায়। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক।
মেথি ভেজানো পানি : এক চামচ মেথি বীজ সারা রাত এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে পান করুন।
আদা-রসুন-লেবুর মিশ্রণ : আদা, রসুন ও লেবু, এই তিনটি উপাদানই কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এক চামচ আদার রস, এক চামচ রসুনের রস ও এক চামচ লেবুর রস এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করলে উপকার পাওয়া যায়।
ধনে বীজ ভেজানো পানি : দুই চামচ ধনে বীজ এক গ্লাস পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি ছেঁকে পান করুন। এতে কোলেস্টেরলের সমস্যা কমবে অনেকটাই। ধনিয়া বীজ হাইপোলিপিডেমিক গুণসম্পন্ন, অর্থাৎ মেদ ঝরাতে সহায়তা করে এই পানীয়।
ওটমিল : ওটসে থাকা বিটা-গ্লুকান নামক দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে খুবই কার্যকর। ওটস পানিতে বা দুধে (কম ফ্যাটযুক্ত) ফুটিয়ে পাতলা পানীয় তৈরি করে খাওয়া যেতে পারে।
টমেটোর রস : টমেটোতে লাইকোপিন নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বাড়িতে তৈরি তাজা টমেটোর রস (লবণ ও চিনি ছাড়া) পান করা স্বাস্থ্যকর।
তবে মনে রাখতে হবে, এই ঘরোয়া পানীয়গুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। এগুলো কোনোটিই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ না করে অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।









