গোদাগাড়ী প্রতিনিধি: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুই পুলিশ সদস্য ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। তারা হলেন আব্দুস সালাম (৫৩) ও ইসমাইল হোসেন (৩৩)। তারা দুজনেই বগুড়া জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
- মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আজিমুল হক (২২) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তিনি বুজরুক রাজারামপুর গ্রামের আতাউর রহমানের পালিত ছেলে। আজিমুল জেএমবি সক্রিয় সদস্য বলে পুলিশের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, ‘জঙ্গিবিরোধী নিয়মিত অভিয়ানের অংশ হিসেবেই গোদাগাড়ীতে অভিযান চালানো হয় মঙ্গলবার রাতে। এসময় একজনকে জঙ্গিকে আটক করাও হয়। তবে সে পুলিশের দুই সদস্যকে ছুরি মেরে পালানোর চেষ্টা করে। তবে সে পালাতে পারেনি।
আহতরা দাবি করেছেন, গোদাগাড়ীর কেল্লাবাড়ি পাড়া গ্রামের এমদাদুলের দোকানের পাশে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযানে যায়। এসময় ওই গ্রামের বাসিন্দা আজিমুল হককে আটক করে পুলিশ। তাকে আটকের পর মোটরসাইকেলে করে নিয়ে আসছিলেন পুলিশ কনস্টেবল সালাম ও ইসমাইল।
- এসময় আজিমুল তার কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে পুলিশের দুই সদস্যকে উপর্যুপরি আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। এতে তারা দুজনেই আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে গোদাগাড়ী থানা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এবং সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গোদাগাড়ী থানার ওসি হিফজুল মুন্সি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রগুলো সিল্কসিটি নিউজেকে জানিয়েছে, আতাউর অনার্সে পড়া-শোনা করে। তবে অধিকাংশ সময় বাড়ির বাইরে থাকেন। মাঝে মাঝে বাড়িতে আসেন। তবে এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তেমন মেশেন না আতাউর। তবে ঘটনার পর থেকে আজিমুল হকের পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে তালা দিয়ে সবাই গা ঢাকা দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
স/আর









