সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
তবে কিছু উপসর্গ আছে, যেগুলো উপেক্ষা করলে হতে পারে গুরুতর বিপদ।

অতিরিক্ত রক্তপাত
গর্ভাবস্থায় হালকা স্পটিং (অল্প রক্ত পড়া) অনেক সময় স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু যদি পিরিয়ডের মতো বেশি রক্তপাত হয়, তাহলে তা মারাত্মক হতে পারে। বিশেষ করে যাদের প্ল্যাসেন্টা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
তীব্র পেটব্যথা
গর্ভাবস্থায় হালকা ব্যথা বা টান লাগা সাধারণ ব্যাপার, বিশেষ করে কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে। তবে হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা শুরু হলে তা গর্ভকালীন জটিলতার ইঙ্গিত হতে পারে। এই ধরনের ব্যথা একেবারে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়—চটজলদি চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে পেটে সংকোচন বা ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। তবে গর্ভধারণের সময় যদি এক ঘণ্টায় ছয়বার বা তার বেশি সংকোচনের অনুভূতি হয়, তা সময়ের আগেই প্রসবের লক্ষণ হতে পারে। তাই এরকম কিছু অনুভব করলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া
২৮ সপ্তাহের পর গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া বেশ স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায়। সেই সময় থেকে যদি শিশুর নড়াচড়া হঠাৎ কমে যায় বা থেমে যায়, তাহলে তা চিন্তার কারণ হতে পারে।
গর্ভাবস্থা একান্তই সংবেদনশীল একটি সময়। তাই শরীরে যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা উপসর্গ দেখা দিলে অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।








