একুশের প্রথম প্রহরেই ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে নগরীর শহীদ মিনারগুলো ফুলে ফুলে ভরে গেছে। নগরীর ভুবনমোহন পার্ক, রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনার, রাজশাহী কোর্ট শহীদ মিনার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারসহ অন্যান্য শহীদ মিনার বেদীতে ছিল শ্রদ্ধা নিবেদন করা মানুষের ঢল।
একুশের প্রথম প্রহরে রাজশাহী মহানগরীর ভুবনমোহন পার্ক শহীদ মিনারে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা।
এর আগে রাত ১২টা এক মিনিটে ভুবনমোহন পার্ক শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমপি ফজলে হোসেন বাদশা। এ সময় তার সঙ্গে রাজশাহী মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ প্রামানিক দেবুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মহানগরীরর কোর্ট শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার নূর-উর-রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দিন, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিপিএম, ও রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়াসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে, রাজশাহী কলেজ শহীদ মিনারে রাত ১২টা এক মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে রাজশাহী মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন। রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ওই শহীদ মিনারে রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের নেতৃত্বে আরও কিছু নেতাকর্মী পুষ্পার্ঘ অর্পণের মধ্যে দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে সেখানে সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভোরে প্রভাতফেরীর আয়োজন করা হয়। সূর্যদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরীর সকল সরকারি-বেসরকারী, আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়। সকালে সাড়ে ছয়টায় অনুষ্ঠিত হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রভাত ফেরি। সকালেও নগরের শহীদ মিনারগুলোতে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়।









