সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

হানজালা (রা.) উহুদের যুদ্ধের আগে স্ত্রী জামিলা (রা.)-এর সঙ্গে মিলিত হন এবং সেই মিলনে আবদুল্লাহ মাতৃগর্ভে স্থানান্তরিত হন। তখন হিজরতের ৩২ মাস অতিক্রান্ত, মাসটি ছিল শাওয়াল। উহুদের যুদ্ধে পিতা শহীদ হন এবং ৯ মাস পর আবদুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
কুবরা : ৫/৪৮-৪৯)
তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন সরাসরি রাসুল (সা.) থেকে। সাহাবিদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) ও উমর (রা.)-এর কাছ থেকেও বর্ণনা রয়েছে।
প্রত্যেক নামাজের আগে অজু করা আবশ্যক ছিল। এ বিধান রহিত হওয়ার বিষয়ে একটি হাদিস প্রায় সব হাদিসগ্রন্থে রয়েছে। তা বর্ণনা করেছেন মহিলা তাবেঈ আসমা বিনতে জায়েদ (রহ.)।
আহমদ : ৩৬/২৯১, হাদিস : ২১৯৬০; ইবনে খুযাইমা : ১/১১, ৭১, হাদিস : ১৫, ১৩৮)
‘হাররার ট্র্যাজেডি’তে শহীদ
৬৩ হিজরির জিলহজ মাসে ইয়াজিদের বাহিনী আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইর (রা.)-এর বিরুদ্ধে মদিনায় আক্রমণ চালায়। ইতিহাসে তা ‘হাররার ট্র্যাজেডি’ নামে পরিচিত। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে হানযালা (রা.) মদিনাবাসীদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সেই যুদ্ধে অসংখ্য মানুষ শহীদ হন। তাঁর নিজ সন্তানদের মধ্যে আবদুর রহমান, হারিস, হাকাম, আসিমসহ সাতজন শহীদ হন, এই দৃশ্য তিনি নিজ চোখে দেখেন। পরে তিনিও যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে পিতার মতো শাহাদাত বরণ করেন। ঘটনাটি ঘটে ৬৩ হিজরির জিলহজ মাসের ২৭ তারিখে।
(সূত্র : আত-ত্বাবাকাতুল কুবরা : ৫/৪৯-৫০, ক্র. ৬৪৩; তাহজিবুল কামাল : ১৪/৪৩৭)









