সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি।

টিআইবির বিবৃতিতে বলা হয়, কর্তৃত্ববাদের পতনের পর থেকে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় নতুন করে তথ্য কমিশন গঠন হয়নি। এতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি অনতিবিলম্বে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত ব্যক্তিদের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তথ্য কমিশনের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার অবসান করতে হবে।
বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কারে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও তথ্য কমিশন কার্যকর করা ও তথ্য অধিকার আইনের প্রয়োজনীয় সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। নাগরিক সমাজ এ ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রদানসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সুপারিশ প্রদান করার পরও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘জনগণের তথ্য জানার অধিকার রক্ষার প্রতি সরকারের এই দৃশ্যমান উদাসীনতা দুর্ভাগ্যজনক, যা এই সরকারের অন্যতম একটি ব্যর্থতা।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘জনগণ তথ্য চেয়ে আবেদন করলেও কমিশন না থাকায় এসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর শুনানি হচ্ছে না, সমাধানও মিলছে না। তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণসহ তথ্য অধিকার-বিষয়ক বিভিন্ন কার্যক্রমে ধীরগতি পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা জনগণের তথ্যে অবাধ অভিগম্যতায় বাধা সৃষ্টি করছে। স্বাভাবিকভাবেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত না হওয়ায় সরকারি দফতরগুলোতে তথ্য গোপনের প্রবণতা ও স্বতঃপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ না করার সংস্কৃতি অব্যাহত রয়েছে।
টিআইবি সার্বজনীন তথ্য অধিকার, প্রবেশগম্যতা ও জন-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ১৫ দফা সুপারিশ প্রস্তাব করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সরকারের কাছে ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে উপস্থাপিত অংশীজনদের মতমতের ভিত্তিতে তথ্য অধিকার আইনটি প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধারার পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে যুগোপোযোগী করা, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকে তথ্য অধিকার আইনের আওতাভুক্ত করা।









