নিজস্ব প্রতিবেদক:
আন্তজার্তিক শহীদ দিবস ও মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যদায় পালিত হয়েছে রাজশাহীসহ সারাদেশে। দিবসটি উপলক্ষে দেশের সরকারি-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত রাখা হয়। সকাল ৬টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় সরকারি অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিত থাকারও কথা বলা হয়েছে আইনে। কিন্তু এসবের কিছুই মানেনি কৃষি বিপনন অধিপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের তৈরী হয়।
সূত্র মতে, রাজশাহী এ কার্যালয়ে মোট দুটি কার্যলয় আছে। একটি হলো বিভাগীয় অফিস এবং একটি জেলা অফিস। দুটি অফিসের একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকেও গতকাল দিনভর দেখা যায়নি। এতে করে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি পালন করা তো দূরের কথা, এ কার্যালয়টি ছিলো দিনভর তালাবদ্ধ। এমনকি জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করে অর্ধনিমিত রাখা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী আসগর বলেন, ‘সরকারি এতো বড় অফিস কিন্তু আজ মহান ভাষা শহিদ দিবস পালন করা হলো না এখানে। সকাল থেকে পতাকা তুলতেও কাউকে দেখা যায়নি। প্রধান ফটকসহ অফিসের সব কক্ষে ছিলো তালাবদ্ধ। এটি অবশ্যই আইনের লঙ্ঘন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’
সরেজমিন গতকাল দুপুর তিনটার দিকে এ কার্যালয়ের সবকক্ষে এবং প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়। ভিতরে যেখানে পতাকা উত্তোলন করা হয়, সেটিও ছিলো ফাঁকা। খুটিতে পতাকা অর্ধনিমিত রাখা ছিল না।’
জানতে চাইলে কৃষি বিপনন অধিপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের সিনিয়র কৃষি বিপনন কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন বলেন, দুজন সিকিউরিটি গার্ডকে দায়িত্ব দেয়া ছিলো পতাকা উত্তলোনের। কিন্তু তারা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেননি। পরে খবর পেয়ে বিকেলে পতাকা উত্তোলন করা হয়।









