লাইফ স্টাইল

কিডনির সংক্রমণ কী? সাধারণ লক্ষণ ও সতর্কতার পরামর্শ

নিউজ ডেস্ক১৫ নভেম্বর ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

কিডনির সংক্রমণ, যা পাইলোনেফ্রাইটিস নামেও পরিচিত, মূলত মূত্রনালিতে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে এটি হয়। মূত্রনালি হলো সেই পথ যার মাধ্যমে কিডনি, মূত্রাশয় ও প্রস্রাব শরীর থেকে বের হয়। সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার মূত্রনালির নিম্নাংশে, যেমন মূত্রনালি ও মূত্রাশয়ে বেশি দেখা যায়। তবে সংক্রমণ কিডনিতে পৌঁছলে তা পাইলোনেফ্রাইটিসে পরিণত হয়।

ইউটিআই-এর প্রায় ৩০টি ক্ষেত্রে ১টিতে কিডনির সংক্রমণ ঘটে।
কিডনির সংক্রমণের লক্ষণ
পার্শ্বীয় ব্যথা : কোমরের পাশে অস্বস্তি বা ধীরে ধীরে ব্যথা অনুভূত হতে পারে, যা কখনো কুঁচকি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
জ্বর ও ঠাণ্ডা লাগা : কিডনির সংক্রমণে সাধারণত উচ্চ জ্বর (প্রায় ১০৩°ফারেনহাইট বা তার বেশি), ক্লান্তি, ঠাণ্ডা লাগা বা বমি বমি ভাব দেখা দেয়।
প্রস্রাবের পরিবর্তন : প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা (ডিসুরিয়া)
ঘন ঘন প্রস্রাব; গাঢ়, দুর্গন্ধযুক্ত, রক্তাক্ত প্রস্রাব

শিশুদের লক্ষণ
ক্ষুধা কম থাকা বা খাওয়াতে অস্বস্তি
শক্তি কমে যাওয়া
নিম্নস্তরের জ্বর
ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ নির্ণয় কঠিন হতে পারে, তাই সতর্ক থাকা জরুরি।

বয়স্কদের লক্ষণ
বিভ্রান্তি, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মেজাজের পরিবর্তন ও
দ্রুত মানসিক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে,
বয়স্কদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ দ্রুত জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে, তাই সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

জটিলতার ঝুঁকি
চিকিৎসা না নিলে সংক্রমণ রক্তে ছড়িয়ে গিয়ে সেপসিসের মতো জীবন-হুমকির জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এতে রক্তচাপ কমা, অঙ্গ ক্ষতি বা মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।

কবে ডাক্তার দেখাবেন

প্রস্রাবের রং, গন্ধ বা পরিমাণে পরিবর্তন দেখা দিলে।

পার্শ্বীয় ব্যথা বা জ্বর থাকলে।

লক্ষণ আরো খারাপ হলে।

সময়ে চিকিৎসা নিলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, অন্যথায় জীবন-হুমকির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সূত্র : হেলথ