জাতীয়

নির্বাচনে অন্য দেশের থাবা মারার সুযোগ যেন না থাকে : প্রধান উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক২ সেপ্টেম্বর ২০২৫৭ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

ইউরোপের ক্লাব ফুটবলে দলবদলের সময়সীমা শেষ হয়েছে সোমবার রাতে। এবারের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সর্বকালের সর্বোচ্চ খরচের নতুন রেকর্ড গড়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। প্রিমিয়ার লিগের ২০টি ক্লাব নতুন খেলোয়াড় কিনতে খরচ করেছে তিন বিলিয়ন পাউন্ডশ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের গাফিলতি ও দীর্ঘ দিন বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অভিযুক্তরা হলেন—টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন শামীম, ডার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলাহ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজীপুরের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম আদালত, ঢাকার প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালতের দায়ের করা মামলাকে ভিত্তি করে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে ওই পোস্টে জানানো হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় করবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবো। শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও সংশ্লিষ্ট আইনগত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। অভিযুক্তদের দেশে ফেরত এনে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।

কারখানা মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল (এনসিবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, কারখানার মালিকদের দ্বারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারে অসহযোগী বা অবহেলামূলক আচরণ সহ্য করা হবে না। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য পরিণতি ভোগ করতে হবে।শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের গাফিলতি ও দীর্ঘ দিন বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অভিযুক্তরা হলেন—টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন শামীম, ডার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলাহ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজীপুরের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম আদালত, ঢাকার প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালতের দায়ের করা মামলাকে ভিত্তি করে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে ওই পোস্টে জানানো হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় করবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবো। শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও সংশ্লিষ্ট আইনগত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। অভিযুক্তদের দেশে ফেরত এনে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।

কারখানা মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল (এনসিবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, কারখানার মালিকদের দ্বারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারে অসহযোগী বা অবহেলামূলক আচরণ সহ্য করা হবে না। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য পরিণতি ভোগ করতে হবে।শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের গাফিলতি ও দীর্ঘ দিন বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অভিযুক্তরা হলেন—টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন শামীম, ডার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলাহ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজীপুরের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম আদালত, ঢাকার প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালতের দায়ের করা মামলাকে ভিত্তি করে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে ওই পোস্টে জানানো হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় করবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবো। শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও সংশ্লিষ্ট আইনগত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। অভিযুক্তদের দেশে ফেরত এনে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।

কারখানা মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল (এনসিবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, কারখানার মালিকদের দ্বারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারে অসহযোগী বা অবহেলামূলক আচরণ সহ্য করা হবে না। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য পরিণতি ভোগ করতে হবে।শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়ে মালিক পক্ষের গাফিলতি ও দীর্ঘ দিন বিদেশে অবস্থান করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনটি গার্মেন্টসের মালিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

অভিযুক্তরা হলেন—টিএনজেড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন শামীম, ডার্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান ইত্তেমাদ উদ দৌলাহ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাবিল উদ দৌলাহ এবং রোর ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুনুল ইসলাম।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।

গাজীপুরের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের শ্রম আদালত, ঢাকার প্রথম ও তৃতীয় শ্রম আদালতের দায়ের করা মামলাকে ভিত্তি করে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে ওই পোস্টে জানানো হয়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, যারা শ্রমিকদের প্রতি অন্যায় করবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হবো। শ্রম অধিকার লঙ্ঘন ও সংশ্লিষ্ট আইনগত অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান আছে। অভিযুক্তদের দেশে ফেরত এনে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানে সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে।

কারখানা মালিক/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ইনস্পেক্টর জেনারেল (এনসিবি) কর্তৃক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির অনুরোধ ইন্টারপোল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, কারখানার মালিকদের দ্বারা শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারে অসহযোগী বা অবহেলামূলক আচরণ সহ্য করা হবে না। এ ধরনের কার্যকলাপের জন্য পরিণতি ভোগ করতে হবে।। তাতেই ভেঙেছে ২০২৩ সালের ২.৩৬ বিলিয়ন পাউন্ডের রেকর্ড।

খরচের খেলায় এবার প্রিমিয়ার লিগের ধারেকাছেও নেই লা লিগা, বুন্দেসলিগা, সিরি-আ লিগ ও ফরাসি লিগ। দলবদলের বাজারে বরাবরই পরিমিত হিসাবে পরিচিত লিভারপুল এবার চেনা ধারা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খরচের রেকর্ড গড়েছে। ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের দল ঢেলে সাজাতে খরচ করেছে ৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি। এছাড়া ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি খরচ করেছে চেলসি, আর্সেনাল, ম্যানইউ ও নিউক্যাসল।

রিয়াল মাদ্রিদ, বায়ার্ন মিউনিখ, পিএসজি ও নাপোলির মতো অন্য লিগের ক্লাবগুলো অনেক খেলোয়াড় কিনলেও ব্যয়বহুল সব দলবদল হয়েছে প্রিমিয়ার লিগে। এই গ্রীষ্মেই দুবার ব্রিটিশ ট্রান্সফার ফির রেকর্ড ভেঙেছে লিভারপুল। প্রথমে তারা বায়ার লেভারকুজেন থেকে ১১৬ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে নিয়েছে জার্মান প্লেমেকার ফ্লোরিয়ান ভির্টজকে।

দলবদলের শেষদিনে সেই রেকর্ড ভেঙে তারা নিউক্যাসল থেকে দলে টেনেছে সুইডিশ ফরোয়ার্ড আলেকসান্দার ইসাককে। ছয় বছরের চুক্তিতে তাকে কিনতে লিভারপুলের খরচ হয়েছে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। এছাড়া হুগো একিতিকেকে কিনতে তারা খরচ করেছে ৬৯ মিলিয়ন পাউন্ড। খেলোয়াড় বিক্রিতেও মুনশিয়ানা দেখিয়েছে লিভারপুল। খেলোয়াড় বিক্রি করে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি আয় করেছে তারা।

আর্সেনাল কিনেছে আটজন খেলোয়াড়। স্পোর্টিং লিসবন থেকে সুইডিশ গোলমেশিন ভিক্টর ইয়োকেরেসকে কিনতে তাদের খরচ হয়েছে ৬৪ মিলিয়ন পাউন্ড। ম্যানইউ ৭৩ মিলিয়ন পাউন্ডে বেনজামিন সেসকো, ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ব্রায়ান এমবুয়েমো ও ৬২.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনেছে মাতেউস কুনিয়াকে। বিপরীতে ম্যানইউ ছেড়ে ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন আলেসান্দ্রো গারনাচো। এছাড়া মার্কাস রাশফোর্ডকে ধারে বার্সেলোনায় পাঠিয়েছে ম্যানইউ।

ইসাকের শূন্যতা পূরণে ক্লাব রেকর্ড ৬৯ মিলিয়ন পাউন্ডে স্টুটগার্টের জার্মান ফরোয়ার্ড নিক ওল্টেমেডকে কিনেছে নিউক্যাসল। লাইপজিগ থেকে ডাচ মিডফিল্ডার জাবি সিমন্সকে কিনতে টটেনহামের খরচ হয়েছে ৫১ মিলিয়ন পাউন্ড। শেষদিনে বড় চমক দেখিয়েছে ম্যানসিটি। পিএসজি থেকে মাত্র ৩০ মিলিয়ন পাউন্ডে তারা কিনেছে ইতালির তারকা গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোনারুমাকে। বিপরীতে সিটি ছেড়ে তুরস্কের ক্লাব ফেনারবাচেতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলীয় গোলকিপার এদেরসন।

 

সূত্র: কালের কণ্ঠ