অর্থ ও বাণিজ্য

এলএনজি সরবরাহে আগ্রহী আরামকো

নিউজ ডেস্ক২৯ আগস্ট ২০২৫২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিশ্চিতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কম্পানি আরামকোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পেট্রোবাংলা এরই মধ্যে একটি খসড়া প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে। প্রস্তাবটি যাচাইয়ের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এলএনজি সরবরাহে আগ্রহী আরামকোএ বিষয়ে পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে আরামকোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।

এর মধ্যে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস), পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে।’
তিনি আরো জানান, আরামকো বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহে আগ্রহ দেখিয়েছে, যা তাদের বৈশ্বিক রপ্তানি কার্যক্রমের সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ। এরই মধ্যে আরামকো ট্রেডিং কম্পানির মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি সরবরাহকারী হিসেবে লিস্টেড হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে কয়েকটি স্পট কার্গো সরবরাহও করেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ওকিউ ট্রেডিংয়ের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি করেছে। এই চুক্তির আওতায় চলতি আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৭টি কার্গো আমদানি করা হবে। এর মধ্যে ২০২৫ সালে পাঁচটি এবং ২০২৬ সালে ১২টি কার্গো আসবে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে কার্গো আসবে একটি করে।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো জাপান-কোরিয়া মার্কার (জেকেএম) সূচকের সঙ্গে মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় এলএনজি কিনছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ প্রতি এমএমবিটিইউ গ্যাসের জন্য জেকেএম মূল্যের ওপর ১৫ সেন্ট প্রিমিয়াম দেবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে কাতার এনার্জি এবং ওকিউ ট্রেডিং থেকে এলএনজি আমদানি করছে, যা ব্রেন্ট ক্রুড সূচকের সঙ্গে যুক্ত। তবে এসব চুক্তিতে মূল্য ও পরিমাণে নমনীয়তা নেই। জানা গেছে, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী মাসে গড়ে তিন থেকে চারটি স্পট এলএনজি কার্গো কেনে।

শিল্প-কারখানায় চাহিদা বেড়ে গেলে এ সংখ্যা আরো বাড়ানো হয়।