নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত বৃহস্পতিবার শেষ কার্যাদিবসে দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র নিযাম-উল-আযিম তিন ঘন্টার ব্যবধানে এক কোটি ৪২ লাখ টাকার চেকে স্বাক্ষর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২৫টি চেকের পাতার মাধ্যমে ওই টাকাগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করে যান তিনি। বিভিন্ন ঠিকাদারসহ নামে-বেনামে বিভিন্ন ভুয়া কাজ দেখিয়ে তড়িঘড়ি করে বিদায় বেলায় ওই টাকাগুলো সিটি করপোরেশনের কোষাগার থেকে উত্তোলনের ব্যবস্থা করে যান নিযাম।
গতকাল বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে চোর চোর চোর বড় চোর নিযাম তুই বড় চোর, এমন স্লোগানও দিতে থাকেন কর্মচারীরা। মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল গতকাল সকাল ১১টার দিকে নগর ভবনে গিয়ে পৌছানোর কিছুক্ষণ পরেই নিযামের বিরুদ্ধে এমন ভয়াবহ অভিযোগ ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

তবে বিষয়টি নিয়ে নিযামের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ঢাকায় আছেন বলে তাঁর ঘোনিষ্টজনরা জানান।
নিযাম পুনরায় দায়িত্ব ফিরে পেতে আপিল বিভাগের দেওয়া রযালে বিরুদ্ধে গতকালই রিভিউ পিটিশন দাখিল করেন বলেও নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘোনিষ্টজনরা। এসময় নিযামের পক্ষ হয়ে রিভিউ পিটিশনের একটি কপিও সাংবাদিকদের কাছে বিলি করা হয়।
এদিকে নিযামের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি তুলে ধরে গতকাল বরখাস্ত হওয়ার আগে মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘আজকে সরকারি এই সেবা প্রতিষ্ঠানকে (রাসিককে) চোরের আখড়া তৈরী করে ফেলা হয়েছে। গত দুই বছর এই সকল কর্মকাণ্ডের মধ্যে দিয়ে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। যেই কাউন্সিলর দায়িত্বে ছিলেন আমি বসেই দেখতে পেয়েছি তার নামে দুর্নীতির অভিযোগ। তাহলে সহজেই বোঝা যায় গত দুই বছরে সিটি করপোরেশনের সেবা থেকে জনগণ বঞ্চিত হয়েছে। সাধারণ জনগণরে সেবা প্রাপ্তির জায়গাটি অবমূল্যায়িত হয়েছে। এই অনিয়ম দুর্নীতি ও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত যারা আছেন, আগামী দিনে জনগণের কাছে তাদের কৈফিয়ত দিতে হবে।’
স/আর









