সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

তবে লবণ খাওয়ার নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ২৩০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। সারা দিন যা-ই খান, লবণের পরিমাণ এটুকু থাকাই বাঞ্ছনীয়।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে দিনে ১৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খাওয়া উচিত নয়। অতিরিক্ত লবণের জন্য শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে আচমকা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই হাই প্রেশার থাকলে বেশি লবণ খাওয়া অনুচিত।
কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা
অতিরিক্ত লবণ হার্ট ও রক্তনালিগুলোকে চাপ দিতে পারে, এথেরোস্ক্লেরোসিস, হার্ট অ্যাটাক এবং অন্যান্য কার্ডিওভাসকুলার সমস্যাগুলোকে বাড়িয়ে দিতে পারে এই অভ্যাস।
কিডনি শরীরে তরলের মাত্রা ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে তরলের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে। দীর্ঘদিন এই পরিস্থিতি থাকলে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শরীরে তরলের মাত্রা বাড়ে
অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে তরলের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এই তরল জমতে শুরু করে। এর ফলে অনেক সময়ে পায়ের পাতা, গোড়ালি বা হাতের বেশ কিছু অংশে ফোলা ভাব দেখা যায়।
অস্টিওপোরোসিস
অতিরিক্ত লবণ খেলে হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। লবণ খেলে শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায় বলে হাড় সহজেই ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
ত্বকে প্রভাব
বেশি লবণ খেলে ত্বকের নানা সমস্যা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে অতিরিক্ত লবণ গেলে একজিমার ঝুঁকি বেড়ে যায়। ত্বকে ফোলাভাব ও শুষ্কতা, চুলকানির মতো সমস্যাও হতে পারে। এ ছাড়া ত্বকে ফোলাভাব, শুষ্কতা, চুলকানি এবং চোখের চারপাশে ফোলাভাব হতে পারে।
লবণ কম খাওয়ার উপায়
- খাবারে কম সোডিয়ামযুক্ত লবণ ব্যবহার করুন। এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- রান্নায় কম লবণ দিন। প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন। এর পরিবর্তে বেশি করে টাটকা শাক-সবজি ও ফল খান। প্রয়োজনে মসলা দিয়ে স্বাদ আনুন।
- কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন।
- সারা দিনের ডায়েটে কম সোডিয়াম, বেশি ফল, শাক-সবজি দুগ্ধজাত খাবার রাখুন









