রাজশাহী

রাজশাহীর ৬টি আসনে আগাম নির্বাচনী আমেজ

নিউজ ডেস্ক১২ এপ্রিল ২০২৫৮ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। সরকার বলছে, আগামী ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে এ নির্বাচন হবে। সেই হিসেবে আরও বেশ কয়েক মাস অপেক্ষার পালা মনোনয়নপ্রত্যাশীদের। এই সময়টিকেই অনেকেই নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবেও দেখছেন। আগামী নির্বাচনে সংসদ সদস্য হতে যে জনসমর্থন ও দলের অনুকম্পার দরকার-তা এই সময়ের মধ্যে পূরণ করতে তোড়-জোড় শুরু করেছেন রাজশাহী জেলার ৬টি আসনের অর্ধশতাধিক প্রার্থী।

বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে বিএনপি-জামায়াতের যেসব নেতাকর্মী এলাকায় ঠিকমতো থাকতেও পারেননি, বা ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা পেশায় মনোযোগ দিয়েছিলেন তাদেরও অনেকেই নেমেছেন মনোনয়ন দৌড়ে। তাঁদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাঠে নেমেছেন বরাবরের মতোই তৃণমূলের ত্যাগী অনেক নেতাও। ফলে আগাম নির্বাচনী আমেজ তৈরী হয়েছে রাজশাহীর ৬টি আসনেই। বিশেষ কওে ঈদ ঘিরে অনেকটা সরব হয়ে উঠেন মনোনয়নপ্রত্যাশীরা।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, মনোনয়নপ্রত্যাশী এসব নেতাকর্মীদের দৌড়-ঝাঁপে রাজশাহীর রাজনীতির মাঠ এরই মধ্যে সরব হতে শুরু করেছে। একসময়ে বিএনপির ঘাটি হিসেবে চিহ্নিত ছিল রাজশাহী। এখনো তৃণমূলে বিএনপির অবস্থান এখানে শক্ত। তবে বিগত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ নিজেদের অবস্থান অনেকটায় শক্ত করে নিয়েছিল। ফলে আওয়ামী লীগের অবর্তমানে এখন পর্যন্ত রাজশাহীতে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরাই মাঠ গরম করে চলেছেন। এর বাইরে দুই-এক জায়গায় জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে। সবমিলিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর বাতাসে এখন পর্যন্ত অর্ধশতাধিক নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। যাঁদের কেউ কেউ এরই মধ্যে গত ঈদকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুভেচ্ছা পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারের মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর চেষ্টা করেছেন। কেউ এলাকায় এলাকায় গিয়ে গিয়ে করেছেন ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের নামে প্রচারণা। আবার কেউ কেউ ঈদ সামগ্রীও বিতরণ করেছেন। দলীয় সভা-সমাবেশেও কেউ কেউ নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার নিজ উদ্যোগেও এলাকায় নানা আয়োজন করছেন কেউ কেউ। নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে কোথাও কোথাও বিএনপির দুগ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।


রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী): দলীয় সূত্র মতে, এই আসনে বিএনপি-জামায়াতের মোট ৭ জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল শরিফ উদ্দিন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ছোট ভাই। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার (২০০১-২০০৬) সামরিক সচিবও ছিলেন। এছাড়াও এখানে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নাম শোনা যাচ্ছে আমিনুল হকের স্ত্রী আভা হক, সুপ্রিমকোর্ট জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন, বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় পরিষদের সহকারী মহাসচিব ও রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুল আল মাহমুদ সালাম বিপ্লব ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি সাজেদুর রহমান মার্কনি’র।
এর বাইরে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসাবে মাঠে দলীয় ও সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান।

জানতে চাইলে বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে আছি। যখন সবাই পালিয়েছিল, তখন আমি এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করেছি। আমি দলীয় মনোনয়নের জন্য এখনো কাজ করে যাচ্ছি।’
রাজশাহী-২ (সদর): এ আসনে এখন পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টির মোট ৫জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি এবং সাবেক সিটি মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী, মহানগর বিএনপির আহŸায়ক এরশাদ আলী ঈশা’র। এছাড়াও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে আসতে পারেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি এমাজ উদ্দিন মÐল বা অন্য কেউ। তবে রাজশাহীতে ৫টি আসনে জামায়াত তাদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে এরই মধ্যে নাম ঘোষণা করলেও এখনো বাদ আছে রাজশাহীর সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ আসন সদরে। এর বাইরে এ আসনে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান ও রাজশাহী মহানগর জাতীয় পার্টির আহŸায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপনেরও নাম শোনা যাচ্ছে।

এ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘দলের জন্য আমি কাজ করি। এখনো করে যাচ্ছি। দল চাইলে আমি যে কোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারি। রাজশাহীর জনগণের জন্য আমি সবসময় নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত আছি।’


রাজশাহী সিটি করপোরেশনের আরেক সাবেক মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, ‘দেশের রাজনীতির পট পরিবর্তন হয়েছে। দেশের সার্বিক অবস্থার পরিণত হয়েছে। এখন কেন্দ্র যেভাবে সিদ্ধান্ত দিকে, আমাদের সেভাবেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সেভাবেই কাজ করছি। আগামী নির্বাচনে জিততে দলকে সুসংঘঠিত করতে হবে। আমাদের আরও অনেক কাজ করতে হবে। আমরা সেসব কাজ করছি।

রাজশাহী-৩(পবা-মোহনপুর) এসনটিতে বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টি মিলে মোট ১০ জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে বিএনপিরই হলেন ৮ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন সওকত, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহসম্পাদক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রায়হানুল ইসলাম রায়হান, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীমুল ইসলাম মুন এবং সাবেক ভূমি প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত অ্যাডভোকেট কবির হোসেনের ছেলে নাসির হোসেন অস্থিরের নাম। এ আসনটিতে জামায়াতের ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন এখনো তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে কাজ করছেন কেন্দ্রের ভাইস চেয়ারম্যান ও রাজশাহী মহানগর আহŸায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন।

পবার নওহাটা পৌরসভা বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ‘অনেক প্রার্থীরই এখন নাম শোনা যাচ্ছে। যারা এলাকায় আগেও ছিলেন, তাঁরাও আছেন। আবার যারা এলাকায় কখনোই আসেননি, তাদেরও নাম শোনা যাচ্ছে। এখন দেখা যাক, দল কাকে মনোনয়ন দেয়। তবে আমরা চাই, দলের জন্য যারা আগে থেকেই নিবেদিত প্রাণ ছিলেন, তাদেও মধ্যেই কেউ আসুক আমাদের কাÐারী হয়ে।’

রাজশাহী- ৪(বগামারা): এ আসনটি বিএনপি-জামায়াত মিলে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৩ জন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তাদের কেউ এরই মধ্যে প্রচারণায় নেমেছেন মাঠে। বিএনপির ১২ জনের মধ্যে অন্তত ৫ জন এবং জামাতের ঘোষিত এক প্রার্থী মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাঁরা হলেন, সাবেক এমপি জেলা অধ্যাপক আব্দুল গফুর, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তপু, বাগমারা উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব অধ্যাপক কামাল হোসেন, রাজশাহী জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিষয়ক সহসম্পাদক ড্যাব নেতা ডা. আশফাকুর রহমান শেলী, ঢাকার ব্যবসায়ী সরদার শাহ নেয়াত হোসেন শুভ, আমেরিকা প্রবাসী চিকিৎসক জাহিদ দেওয়ান শামীম, অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান, তাহেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও তাহেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আনম শামসুর রহমান মিন্টু, ভবানীগঞ্জ পৌর সভার সাবেক মেয়র আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য রাশেদুল হক ফিরোজের নাম শোনা যাচ্ছে। এছাড়াও এখানে উপজেলা জামায়াতের রোকন ডাক্তার আব্দুল বারীকে এরই মধ্যে জামায়াত তাদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করায় তিনিও মাঠে প্রচরণা শুরু করেছেন।

রাজশাহীর-৫ (পুঠিয়া- দুর্গাপুর): এ আসনে মনোনয়ন পেতে এরই মধ্যে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি-জামায়াতের মিলে মোট ১০ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহŸায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা হাবিবা, জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য ও পুঠিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ, সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তফা, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি এবং বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইসফা খায়রুল হক শিমুল, শিল্পপতি ও সমাজসেবক সাবেক ছাত্রনেতা আলহাজ্ব মোহাম্মাদ আব্দুস সাত্তার, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম সাকলায়েন, এবং এ আসনের প্রয়াত সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফার ছেলে জুলফার নাঈম মোস্তফা।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছেন রাজশাহী জেলা জামায়াত ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন ও জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবুল হোসেনের নাম শোনা যাচ্ছে।

আবুবক্কর সিদ্দিক বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, সেই দলে অনেক প্রার্থী আছে তারাও কাজ করছে। এই দলের সকল ক্রাইসিসের সময় আমি দুর্গাপুর-পুঠিয়ার মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকেছি। আমি আশাকরি দল ও নেতাকর্মী আমাকে মুল্যায়ন করবে।’
আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র অবস্থায় বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছি। আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করছি। পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তাঘাট সংস্কার ও গরীব ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণসক বিভিন্ন উন্যায়নমূল কাজ করেছি। বিএনপি আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিলে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আমি নির্বাচিত হবো।’

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট): এ আসনে বিএনপি-জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের মিলে এখন পর্যন্ত মোট ৯ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী নানাভাবে তৎপরতা শুরু করেছেন।

সম্ভাব্য প্রার্থীরা হচ্ছেন-রাজশাহী জেলা বিএনপির আহŸায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন, রাজশাহী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি বজলুর রহমান, বাঘা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান মানিক, রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক আহŸায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল ও রাজশাহী জেলা যুবদলের আহŸায়ক মাসুদুর রাহাস সজনও মনোনয়ন বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশায় মাঠে নেমেছেন।

অন্যদিকে এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নাজমুল হক। এছাড়া রাজশাহী-৬ আসনে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে মো. সুরুজ্জামান ও জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শামসুদ্দিন রিন্টু নির্বাচনী এলাকার দুই উপজেলায় বিভিন্ন দলীয় ও সাংগঠনিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তারা এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

স.আর