সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
এবার প্রেমের টানে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বাংলাদেশে চলে এসেছেন জে. মিঙ্গির নামে এক যুবক। সাভারের ১৯ বছর বয়সী উচ্চ মাধ্যমিক পড়ুয়া এক যুবতীর প্রেমের টানে এসেছেন তিনি। চলতি মাসের শুরুতে বিয়ে হলেও শুক্রবার (২২ নভেম্বর) তাদের বিবাহ-পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার বিকেলে সাভারের মুক্তির মোর এলাকার সূচনা পার্টি প্যালেস নামক কমিউনিটি সেন্টারে এ যুগলের বিবাহ-পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিয়েতে আগত অতিথিরা।
হাজার মাইলের দূরত্ব ঘুচিয়ে ইন্টারনেটের কল্যাণে প্রেম-পরিণয় ঘটছে অহরহ। প্রায়ই শোনা যাচ্ছে, ভিনদেশি তরুণ-তরুণী প্রেমের টানে ছুটে আসছেন বাংলাদেশে। এবার এমনই আরেকটি ঘটনা ঘটলো সাভারে।
এর আগে গত বছরের ১ ডিসেম্বর রাতে আশুলিয়ার গাজীরচট আয়নাল মার্কেট এলাকায় শামীম আহমেদের সঙ্গে সাইপ্রাস থেকে প্রেমের টানে বাংলাদেশে আসা তরুণী আন্থি তেলেবান্থুর সঙ্গে বিবাহ হয়।
জানা যায়, প্রায় চার মাস আগে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সোলের যুবক জে. মিঙ্গির সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় হয় সাভারের আড়াপাড়া সবুজবাগ এলাকার মো. রেজাউল করিমের মেয়ে রেজভি আক্তার সুমাইয়ার। সেই পরিচয় থেকে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এই প্রেমের টানে গত ১ নভেম্বর সাভারে চলে আসেন জে. মিঙ্গি।
এখানে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে হয়ে যান আরফান ইসলাম। পরদিন ২ নভেম্বর ইসলাম ধর্মের রীতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আরফান ইসলাম ও রেজভি আক্তার সুমাইয়া।
এদিকে ভিনদেশি যুবকের সঙ্গে কন্যার বিয়ে হওয়ায় আনন্দিত মা-বাবাসহ পরিবারের সদস্যরাও। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর সফল পরিণয়ে খুশি আরফান-সুমাইয়া যুগল। ভাঙা বাংলায় স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা জানান কোরিয়ান যুবক।
বিয়ের বিষয়ে কনে রেজভি আক্তার সুমাইয়া বলেন, ‘একটা অ্যাপসের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। সেখান থেকেই বন্ধুত্ব, তারপর সম্পর্ক। গত ২ নভেম্বর আরফান (জে মিঙ্গি) দেশে এসে আমাকে বিয়ে করেছে। এ বিয়েতে আমি অনেক খুশি।’
কনের ফুপাত বোন বলেন, ‘ভাইয়া দক্ষিণ কোরিয়া থেকে এসে আপুকে বিয়ে করেছেন। তাদের জন্য অনেক দোয়া। আমার অনেক ভালো লাগছে। ভাইয়া অনেক মিশুক। এছাড়া দূরত্ব মুছে তাদের একসঙ্গে আসা এবং জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হওয়া যেন চিরকাল অটুট থাকে, এমনই শুভ কামনা জানান অতিথিরা।’









