নিজস্ব প্রতিবেদক ও নাটোর প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারা ও নাটোরের বড়াইগ্রামে পুলিশের পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) সাতজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীর বাগমারায় পাঁচজন ও নাটোরের বড়াইগ্রামে দুইজন জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে বাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও টোরের বড়াইগ্রাম গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নে চন্দপুর গ্রামের আবুল হোসেন (৫০), এইকিই উদপাড়া এলাকার লুৎফর রহমান (৪২), ভবানিগঞ্জ পৌরসভা এলাকার মকবুলের ছেলে রহিদুল ইসলাম (৩৮), জাবেদ আলীর ছেলে আবদুল মান্নান (৩৫), মৃত সমির উদ্দীনের ছেলে আবদুর সাত্তার (৩৩) এরা দুইজন চন্দপুর এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মেরিগাছা উত্তরপাড়া গ্রামের গেদু প্রমানিকের ছেলে সাহাবুদ্দিন মাস্টার (৪৬) এবং একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রহিদুল ইসলাম (৪৩)।
আজ শনিবরা বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্তকর্তা (ওসি) নাসিম আহম্মেদ সিল্কসিটিনি্উজকে এ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্যদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গ্রেফতারকৃতরা থানায় তালিকা ভুক্ত ১১ নম্বর জেএমবি সদস্য। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
অন্যদিকে, বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম সিল্কসিটিনি্উজকে জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জেএমবির সংশ্লিস্টতায় ২০০৯ সালে রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় তাদের দুজনের নামে মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে ওই মামলায় তারা গ্রেফতারও হয়। দেশব্যাপি জঙ্গীবিরোধি অভিযানের অংশ হিসেবে এবং নাশকতার আশংঙ্কায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে জেএমবির শীর্ষ নেতা সিদ্দীকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাইয়ের হাত ধরে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেন তারা। এর পর তারা বাগমারা এলাকায় সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা, গুম ও নির্যাতন চালাতে বাংলাভাইকে সহযোগিতা করে। সে সময় তাদের বিরুদ্ধে বাগমারা থানা ও রাজশাহীর আদালতে হত্যা, গুম ও নির্যাতনসহ নাশকতার অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছিল।
স/আ









