সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
‘জঙ্গিবাদ নির্মূল, সুশাসন ও সমৃদ্ধি অর্জন এই তিন যুদ্ধের ভেতরে রয়েছি আমরা’ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এই তিন যুদ্ধে জয়ী হতে কর্মক্ষেত্রে সংবিধান চর্চার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়া প্রজাতন্ত্রের কর্মচারিদের নৈতিক দায়িত্ব বলেও জানান তিনি।
সোমবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে ‘প্রয়াত সিনিয়র সচিব ও লেখক ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাসের স্মরণসভায় তিনি ওই মন্তব্য করেন।
বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশন স্মরণ সভাটি আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূল, সুশাসন ও সমৃদ্ধি অর্জন এই তিন যুদ্ধে ড. রণজিৎ ছিলেন আমাদের সহযোদ্ধা। তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি হিসেবে সংবিধানের প্রতি নিখাঁদ আনুগত্য ও চর্চার মাধ্যমে এ যুদ্ধে আমৃত্যু ভূমিকা রেখেছেন। তার এ ভূমিকা অনুসরণীয় হয়ে রয়েছে। তিনি তার কাজের মধ্যদিয়ে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন।
রণজিৎ বিশ্বাসের কৃতিত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, তথ্য ক্যাডারের এক অনন্য প্রতিভা, সৎ, ন্যায়পরায়ণ, প্রাজ্ঞ, বিনয়ী ও নীতির প্রশ্নে আপোসহীন ব্যক্তি ছিলেন রণজিৎ কুমার বিশ্বাস। প্রয়াত ড. রণজিৎ ছিলেন একাধারে একজন কর্মবীর সিনিয়র সচিব, সুলেখক, সুবক্তা এবং খাঁটি বাঙালি।
স্মরণসভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাসের বাংলা ভাষায় অপার দক্ষতা, মানবপ্রেম ও শিল্পসাহিত্যের প্রতি অনুরাগ ছিলো। তিনি পৃথক বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল ছিলেন। তার কার্যক্রম বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হওয়া উচিত।
গত ২৩ জুন ৬০ বছর বয়সে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে হৃদরোগে আক্রন্ত হয়ে মৃতুবরণ করেন ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস। স্মরণসভায় তার স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
বিসিএস ইনফরমেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ, রাষ্ট্রপতির সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সংস্কৃতি সচিব আক্তারী মমতাজ, প্রধান তথ্য অফিসার এ কে এম শামীম চৌধুরী, ড. রণজিৎ বিশ্বাসের সহধর্মিণী শেলী সেনগুপ্তা, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী প্রমুখ।
সূত্র: বাংলা নিউজ









