নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বরখাস্তকৃত মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলই থাকছেন। তাকে বরখাস্তের দেওয়া সরকারের আদেশ বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। আজ রবিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ফলে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পেতে আর কোনো বাধা থাকলো না বলে জানিয়েছেন বুলবুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল হক হেলাল।

অন্যদিকে এ রায়ের পরিবর্তে অবৈধভাবে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া কাউন্সিলর নিযাম-উল-আজিমকে এখন সরে যেতে হবে। মেয়রের আসন ছেড়ে তাকে সাধারণ কাউন্সিলর হিসেবেই থাকতে হবে।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের সিটি নির্বাচনে মোসদ্দেক বুলবুল মেয়র নির্বাচিত হন। তবে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারিপর বুলবুলের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ১৯টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। সবকটি মামলা থেকেই তিনি জামিন পান।
তবে ৪টি মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ায় ওই বছরের ৭ মে পলাতক থাকা অবস্থায় বুলবুলকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের এ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। গত বছরের ১০ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি এমদাদুল হক ও বিচারতি মজিবুর রহমান মিয়ার যৌথ বেঞ্চ বুলবুলকে মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশ অবৈধ বলে ঘোষণা করেন। সেই সঙ্গে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া কাউন্সিলর নিযাম-উল-আযিমকেও অবৈধ মেয়র হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর সরকার ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করে। তবে আজ রবিবার উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ আগের দেওয়া হাইকোর্ট বিভোগের রায়ই বহাল রাখেন।
সূত্র মতে, সিটি করপোরেশনের তিন তিনটি প্যানেল মেয়রকে বাদ দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে অবৈধভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় একজন সাধারণ কাউন্সিলর নিযাম-উল-আযীমকে। গত বছরের ৩১ মে তিনি মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
স/আর









