রাজশাহীর খবর

রাজশাহীর সেই শিবির নেতা ইমনের সঙ্গে সাবেক টাইগার অধিনায়ক পাইলট

নিউজ ডেস্ক৭ জুলাই ২০২৩২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজশাহী তথা দেশের শীর্ষ ক্যাডারের তালিকায় ছিল তার নাম। রাবি ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হোসেন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। রয়েছে পুলিশের রাইফেল কেড়ে নিয়ে পিটুনি দেওয়াসহ ৪২টি মামলা। সেই শিবির ক্যাডার আশরাফুল আলম ইমনের সঙ্গে এবার দেখা গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের (টাইগার) সাবেক অধিনায়ক রাজশাহীর বাসিন্দা খালেদ মাসুদ পাইলটকে। খালেদ মাসুদ পাইলট মাঝখানে বসে আছেন। আর সেই শিবির ক্যাডার ইমন তার বাম পাশে বসে আছেন। মাসুদের ডান পাশেও ছিলেন আরেক শিবির নেতা। বর্তমানে ইমন জামায়াতের শীর্ষ একটি পদে রয়েছেন তিনি। জামায়াতের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়েরও অন্যতম নেতা। কয়কদিন আগে রাজশাহীতে এসে তিনি খালেদ মাসুদ পাইলটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মত, ইমনের বিরুদ্ধে রয়েছে ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা ফারুক হোসেন হত্যা মামলা, রাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম তৌহিদ আল তুহিনের ওপর হামলা ও রগ কাটা মামলা, রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আখেরুজ্জামান তাকিমের ওপর হামলা ও রগকাটা মামলা, পুলিশের হামলা, বিস্ফোরক আইনে মামলাসহ অন্তত ৪৭টি মামলা। এ মামলাগুলোর মধ্যে ছাত্রলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি তিনি। এছাড়াও রয়েছে অস্ত্র মামলা। এতো মামলার আসামি হওয়া হওয়ার পরেও এই সাবেক শিবির ক্যাডারের সঙ্গে খালেদ মাসুদ পাইলটের ছবি গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসে পৌঁছার পরে এটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার তৈরী হয়েছে।

টাইগার অধিনকায়ক কেনই বা ইমনের সঙ্গে বৈঠক করলেন, সেটি নিয়েও চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

তবে এ নিয়ে কথা বলার জন্য খালেদ মাসুদ পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে সকালে পাওয়া যায়নি। তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে সিল্কসিটিনিউজে ইমন এবং পাইলটের ছবিসহ সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সিল্কসিটিনিউজকে ফোন করেন শিবির নেতা ইমন। তিনি দাবি করেন, তার বাড়ি নগরীর সাগরপাড়া এবং খালেদ মাসুদ পাইলটের বাড়িো সাগরপাড়া। সেই হিসেবে পাইলট তার সম্পর্কে আত্মীয়। সেই সুবাদে পাইলটের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। এখানে ভিন্ন কোন কারণ নেই। রাজশাহীর বাসিন্দা হিসেবে অনেকের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ এবং সাক্ষাৎ করেন।

ইমন আরও দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে ৪২ টি মামলা চলমান রয়েছে। তার মধ্যে ২৫টি মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। কয়েকটি মামলা খালাস পেয়েছেন এবং কয়েকটি মামলা হাজিরা দিতে না পারে ওয়ারেন্ট হয়েছে।

স/আর

 

ট্যাগ: