রাজশাহী

বাবাকে হত্যা: ভাইয়ের হত্যা মামলায় দুই ভাই ভাবিসহ আসামি ৪

নিউজ ডেস্ক৯ জানুয়ারি ২০১৭২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী মহানগরীতে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলে ও তার স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মেজো ছেলে আবু বক্কর সুরুজ বাদি হয়ে রাজপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ হতা মামলায় ছোট ছেলে শরিফুল ইসলাম শরিফ (৩৫) ও তার স্ত্রী হাবিবা আক্তার লাইজুকে (৩০) আটক করে পুলিশ। পরে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

জানা গেছে, নিহত আবদুল শেখ রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অবসরপ্রাপ্ত নথিপত্র সরবারহকারী। আবদুল শেখের তিন ছেলের মধ্যে শুধু শরিফ বাড়িতেই থাকে। তার বড় ছেলে আবু তাহের সুজন ও মেজ ছেলে আবু বকর সিদ্দিক সুরুজ বাইরে ভাড়া থাকে।

এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে নগরীর বহরমপুর এলাকায় বালিশ চাঁপা দিয়ে হত্যা করা হয় আবদুল শেখ (৬৫) নামের এক ব্যক্তিকে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তার এক ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহতর স্ত্রী আছিয়া শেখ সিল্কসিটি নিউজকে জানিয়েছিলেন, আমার স্বামীকে ছেলে শরিফুল ইসলাম শরিফের ও আবু তাহের সুজন। তাদের বৌ হবিবা আক্তার লাইলী ও আক্তারুণ। ছেলেরা ঘরের ভেতরে আর বৌও আমাদের ধরে রাখে।

তিনি বলেন, আমাকে মারতে মারতে দুই ছেলে আর ছেলেও বৌ ছাদে নিয়ে চলে যায়। আর ঘরে তার স্বামী একা ছিলেন। এক ছেলে গিয়ে তার বাবাকে চেপে ধরে তার কাছে থাকা ট্রাংকের চাবি নিয়ে নেয়। তার পরে পাশের ঘর থেকে নিয়ে চলে যায়। এলাকার মানুষ বললে তাদের বলে আমরা অন্য জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, তার স্বামী সকালের খাবার খেতে বসেছিলেন। তার পরেও তারা বেধরপ মারধর করে বালিশ চাঁপা দিয়ে মেরে ফেলে। তারা পালিয়ে যায়। আমি চিৎকার দিয়ে বলে এ তোরা কি করছিস। আমার ছেলে সুজন বলে চুপ নাতো তোকে মেরে ফেলবো। তার পরে আামাকেও তারা মারধর করে।

রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানউল্লাহ বলেছেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। এখনো কিছু বলা যাচ্ছে না। এটা হত্যা না অন্য কিছু। তবে লাশ রামেকে আছে ময়না তদন্তের রির্পোট এলে বোঝা যাবে।

স/শ