
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ভিটামিন ডি স্বল্পতায় ভুগছেন এমন ১৯ শতাংশ মানুষই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে যাদের শরীরে ভিটামিন ডি যথেষ্ট আছে, তাদের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। অর্থাৎ ভিটামিন স্বল্পতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের কোভিডে আক্রান্তের হার ৬০ শতাংশ বেশি।
সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সক্ষম টি-সেল সৃষ্টিতে ভিটামিন ডি ভূমিকা রাখে। তবে এই রোগ প্রতিরোধে এই ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে যে শুরুর দিকে গবেষণা বের হয়েছিল, তার উপাত্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি একটি বড় গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি ও কোভিড-১৯ এর মধ্যে সরাসরি কোনো স¤পর্ক নেই। আবার নতুন এই গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি শরীরে থাকলে হয়তো কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। এ খবর দিয়েছে ডেইলি মেইল।
খবরে বলা হয়, এখন পর্যন্ত ৬১ লাখ আমেরিকান ও ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।
মানুষের শরীরে ভিটামিন ডির প্রধান উৎস হলো সূর্যের আলো।
তবে বয়স্ক মানুষজন যেহেতু বেশিরভাগ সময় বাড়িতে থাকেন, সেহেতু তারা সূর্যের আলো, অর্থাৎ ভিটামিন ডি অত বেশি পান না। আবার কৃষ্ণাঙ্গ ও বাদামি রঙ্গের মানুষের শরীরে মেলানিন বেশি থাকায় তাদের শরীর এই ভিটামিন গ্রহণে বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেকে এই কারণেও এই দুই গোষ্ঠীর মানুষের মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি হচ্ছে বলে দাবি করছেন।
তবে গবেষকরা সতর্ক করে বলছেন যে, ভিটামিন ডি স্বল্পতার কারণে ঝুঁকি বাড়লেও, এর মানে এই নয় যে, ভিটামিন ডিই করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করতে পারে। তবে এটি ঠিক যে কিছুটা সুবিধা হয়তো ভিটামিন ডি দিয়ে থাকে।

সূত্র মানবজমিন








