নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহী জেলায় প্রতিদিন খারাপের দিকে যাচ্ছে করোনা পরিস্থিতি। এপ্রিলের ১২ তারিখে জেলার পুঠিয়া উপজেলায় দেশের সংক্রমিত এলাকা ফেরত ৩০ বছরের যুবক ইউসুফ আলী শরীরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এপ্রিল জুড়ে শনাক্তের হার কম থাকলেও ধিরে ধিরে রাজশাহী মহানগরীসহ ৯টি উপজেলার প্রতিটিতেই করোনা বিস্তার লাভ করতে থাকে।


গত মাসের ১৫ মে রাজশাহী নগরীর উপর ভদ্রা এলাকায় নরশিংদী ফেরত ৫০ উর্ধ্ব এক নারীর শরীরে প্রথম করোনা ধরা পড়ে। এর পর থেকে নগরীতে নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধি করা হয় ও করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এদিকে এক মাস যেতে না যেতেই রাজশাহী জেলার সিংহভাগ রোগী নিয়ে শনাক্তের শীর্ষে এখন এই নগরী।
স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া গত ৬০ দিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজশাহী জেলায় গত এপ্রিলের শেষ নাগাদ মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিলো ৯জন। এর পরের মাসে অর্থাত মে মাসের শেষ ভাগে এই সংখ্যা গিয়ে দাড়ায় ৫২জনে। আর জুনের দ্বিতীয় সম্পাহেই শনাক্তের সংখ্যা ১১৬জনে গিয়ে ঠেকেছে।
শক্রবার (১২ জনু) জেলার সিভিল সার্জনের দেয়া তথ্যে দেখা যায়, রজশাহী জেলায় এখন মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১৬জন। এদের মধ্যে সিংহভাগই সিটি কর্পোরেশন অর্থাত মহানগরীর বাসিন্দা। নগরীতে শনাক্ত হয়েছে ৩৮জন। এর পরের অবস্থানেই আছে তানোর। সেখানে শনাক্ত হয়েছে ১৫জন। এছাড়া বাঘায় ৯জন, চারঘাটে ১২ জন, পুঠিয়ায় ১১, দুর্গাপুরে ৪, বাগমারায় ৯, মোহনপুরে ৯, পবায় ৮ ও গোদাগাড়ীতে এপর্যন্ত ১জন শনাক্ত হয়েছে।
আর ১১৬ জন রোগীর মধ্যে মরা গেছেন ৩জন। যাদের একজন সিপি কর্পোরেশন এলাকার ও অন্য দুইজনের একজন বাঘা ও মোহনপুর এলাকার বাসিন্দা।
স/রা









