চাঁপইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:
দায়িত্বভার গ্রহনের ৩ ঘন্টা পর আবারও কারাগারে গেলেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে আজ রোববার সকাল ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে দুপুর ১টার দিকে পৌরসভা থেকে বের হওয়ার সময় তাকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। এরপর তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমলী আদালত ’ক’ অঞ্চলের বিচারক জুয়েল অধিকারীর আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তার জামিন আবেদন না মুঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতের প্রেরণ করেন।

পুলিশ জানায়, ২০০৮ সালের সদর থানায় দায়ের করা একটি বিষ্ফোরক দ্রব্য মামলায় আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন না মুঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ নভেম্বর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ সচিব আব্দুর রউফ মিয়া স্বাক্ষতির এক পত্রে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসককে দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেয়ার জন্য বলা হয়।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওই পত্রে বলা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলামকে স্থানীয় সরকার বিভাগের গত ৩ নভেম্বরের একটি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সাময়িকভাবে বরখাস্ত হন।
পরে তিনি ওই প্রজ্ঞাপনের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্ট বিভাগে রীট পিটিশন দায়ের করেন। ওই রীট পিটিশনে বরখাস্ত আদেশের উপর স্থগিতাদেশ প্রদান করা হয়। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ বাস্তবায়নের জন্য তিনি পরবর্তীতে কনটেম্পট পিটিশন দায়ের করেন নজরুল ইসলাম। কনটেম্পট পিটিশনটি প্রসিডিং না হওয়ায় সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত মেয়র মো. নজরুল ইসলামকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়।
গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে ১ হাজার ভোটে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে নাশকতাসহ কয়েকটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করায় স্থানীয় সরকার বিভাগ তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।
এবিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাযহারুল ইসলাম সিল্কসিটি নিউজকে জানান, নজরুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে হত্যা বিষ্ফোরক ও নাশকতাসহ মোট ১৯টি মামলা রয়েছে এবং সবগুলো মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।
স/অ









