নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ঠিকাদার খন্দকার মাইনুলের বাম কানের একটু ওপরে গুলিবিদ্ধ হয়ে সেটি ডান কানের ওপর দিয়ে বের হয়ে যায়। বলা যায়, গুলিটি সোজা বের হয়ে যায়। একটি গুলিতেই তিনি মারা যান।

তবে নিজের হাত থেকে ছোড়া গুলি, নাকি অন্য কারো হাত থেকে ছোড়া হয়েছে সেটি নিশ্চিত হতে পারছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকও। এতে করে মাইনুল আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে, সেটি নিয়েও সংশয়ে আছেন ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক-এমনটিই সিল্কসিটি নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ওই বিভাগের চিকিৎসক এনামুল হক।
তিনি রাতে সিল্কসিটি নিউজকে বলেন, ‘গুলিটি বাম কানের প্রায় দুই ইঞ্চি ওপরে বিদ্ধ হয়। এরপর সেটি ডান কানের দেড় ইঞ্চি ওপর দিয়ে বের হয়ে যায়। এ কারণে আত্মহত্যা নাকি হত্যা সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’
ওই চিকিৎসক আরো বলেন, ‘আত্মহত্যা হলে বাম সাইড দিয়ে কিভাবে গুলি লাগলো সেটিই ভাবার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপরেও পুলিশি তদন্ত এবং ফরেনসিক রিপোর্টের ওপর নির্ভর করছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি তাকে হত্যা করা হয়েছে।
- এদিকে পুলিশের একাধিক সূত্র সিল্কসিটি নিউজকে নিশ্চিত করেছে, গুলিতে মারা যাওয়া বিএনপি নেতা মাইনুল ইসলামের পরিবারের সদস্যদের নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। তাদের কাউকেই সরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন হওয়ার পরে তাদের সবাইকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
আত্মহত্যা হলে কেন ঘটনার আলামত দ্রুত নষ্ট করে ফেলা হলো সেটি নিম্চিত হতে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আবার হত্যা করা হলে কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বা কেন তাকে হত্যা করা হলে সেটিও খুঁজে বের করা হবে।
প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে খন্দকার মাইনুল ইসলাম নগরী হোসনিগঞ্জে অবস্থিত বাড়ির উঠানে নিজের পিস্তুলের গুলিতে মারা যান। মৃত্যুর পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে দাবি করা হয় তিনি আত্মহত্যা করেছেন। পরে আবার দাবি করা হয় পড়ে গিয়ে মারা গেছেন তিনি। অনেকেই আবার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেও রাজি হননি।
স/আর









