সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক অনলাইন গেমিং প্রতিযোগিতা ‘আজিয়াটা গেম হিরো’ চ্যাম্পিয়নশিপ।
রবি আজিয়াটার দুই ব্র্যান্ড রবি ও এয়ারটেলের আয়োজনে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হল এ প্রতিযোগিতাটি। সোমবার ১১ নভেম্বর রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে এ প্রতিযোগিতার বাংলাদেশ অংশের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় প্রতি দলে চারজন করে ১২টি দলের মোট ৪৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। সেখান থেকে ছয়টি দল প্রায় ছয় লাখ টাকার পুরস্কার জিতেছেন। আগামী ২১ ও ২২ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিতব্য আজিয়াটা আয়োজিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ের গ্র্যান্ড ফিনালে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে বাংলাদেশের বিজয়ী তিনটি দল। দেশে থেকেই বিজয়ী হতে লড়াই করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘বাংলা ইউনিটি’, ‘টর্চার সেল লাইন আপ’ হয়েছে প্রথম রানার আপ এবং ‘টিম ইনক্রেডিবল’ হয়েছে দ্বিতীয় রানার আপ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ। এ সময় রবির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার প্রদীপ শ্রীবাস্তবসহ রবি এবং এর মূল কোম্পানি আজিয়াটার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের মোট দুই লাখ গেমার এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছিলেন। আয়োজনের প্রথম পর্বে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নির্বাচিত ৪৮ জনকে নিয়ে গ্র্যান্ড ফিনালের জন্য ১২টি দল গঠন করা হয়।
জনপ্রিয় গেম ‘ফ্রি ফায়ার’ নিয়ে আয়োজন করা হয় এই ‘গেম হিরো’ প্রতিযোগিতাটি। বাংলাদেশ থেকে শীর্ষ তিন দল ছাড়াও কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার প্রতিযোগীরাও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। এর আগে বাংলাদেশের রবি আজিয়াটা লিমিটেডের মতো ওই দেশগুলোতেও আজিয়াটা পরিচালিত অন্য কোম্পানিগুলো নিজ নিজ দেশে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে রবির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, এই গেমিং প্রতিযোগিতায় দেশের তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখে আমি অভিভূত। আমার বিশ্বাস আন্তর্জাতিক মানের এই গেমিং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের চলমান ধারার সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছে।
গেমিংয়ের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা সম্পর্কে তিনি বলেন, সময়ের অপচয় মনে হলেও এখন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্য মানসিক বিকাশ, হাত ও চোখের সমন্বিত কার্যক্রমের বিকাশ, দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে মস্তিষ্ককে উদ্দীপ্ত করতে গেমিংকে একটি কার্যকর মাধ্যম বলে বিবেচনা করা হয়। মাত্রারিক্ত যে কোনো কিছুরই নেতিবাচক দিক থাকে; তবে এখন বিশ্ব জুড়েই গেমিংয়ের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।









