অর্থ ও বাণিজ্য

সরকারি ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ

নিউজ ডেস্ক১৩ জুন ২০১৯২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

বাংলাদেশে সরকারি খাতের ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। জিডিপির আকারের তুলনায় এ ব্যয় বাড়ানো হবে। বিশেষ করে রাজস্ব আয় বাড়ানোর মাধ্যমে সরকারি খাতে ব্যয় বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। রাজস্ব আয় বাড়লে ব্যয়ও বাড়বে। এসব অর্থ জনকল্যাণে খরচ হবে।

বাংলাদেশ সরকারি ব্যয়ে পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলো যেখানে মোট জিডিপির ২২ থেকে ২৮ শতাংশ অর্থ ব্যয় করে। সেখানে বাংলাদেশ ব্যয় করছে মাত্র ১৪ শতাংশ।

উন্নত দেশগুলোর তাদের মোট জিডিপির আকারের ৫৬ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ সরকার ব্যয় করে। উন্নত দেশগুলোতে সরকারি ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে মানুষ নানা ধরনের সরকারি সুবিধা পাচ্ছে। বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ এ সুবিধা বেশি পাচ্ছে।

মোট জিডিপির আকারের মধ্যে ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারি খাতে ব্যয় হয়েছিল ১৫ শতাংশ, ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছিল ১৪ শতাংশ। আগের অর্থবছরের চেয়ে সরকারি ব্যয় ১ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে এ ব্যয় আবার বাড়তে থাকে। ওই অর্থবছরে ব্যয় হয়েছিল জিডিপির ১৭ শতাংশ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৮ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ খাতে ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯ শতাংশ। মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামোর আওতায় এ ব্যয় ২২ শতাংশ করা হবে। ওই সময়ে বাজেটের আকার যেমন

বাড়বে, তেমনি বাড়বে জিডিপির আকারও। একই সঙ্গে রাজস্ব আয় বাড়িয়ে সরকারি খাতের ব্যয় বাড়ানো হবে। সরকারি ব্যয়ের বড় অংশই যায় অবকাঠামো উন্নয়নে। এর পাশাপাশি প্রান্তিক জনগণকে নানা সুবিধা দিতেও এসব অর্থ ব্যয় হয়। ফলে দেশের জনগণ এর সুফল পায়। এ কারণে বাজেটে সরকারি ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে।