রাজশাহী

বাংলা ভাইয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা স্বীকার করলেন আ’লীগ প্রার্থী আলমগীর

নিউজ ডেস্ক৭ অক্টোবর ২০১৬৩ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

‘আমরা বাংলাদেশের মানুষ আমি বাগমারা উপজেলার মানুষ। বাগমারা উপজেলা এবং গোটা ওয়ার্ল্ডে বাংলাদেশসহ গোটা পৃথিবীতে যত দেশে আছে কোন জায়গায় আলমগীর সরকারসহ আলমগীর সরকার পরিবারের কোন সদস্যের নাম কোন অরাজনৈতিক বা রাষ্ট্রের বিরোধী কোন জায়গায় যদি আপনারা দেখাতে পারেন তাহলে আমি গরীব মানুষ আমার যতটুকু জায়গা জমি আছে আমি রেজিষ্ট্রি করে দিয়ে দিব সেসকল ভাইদেরকে। আমি কোথাও কোন অপরাধ করি নাই যেখানে আমার নাম লিপিবদ্ধ করা আছে। আমার নাম জেএমবি, সর্বহারা কোথাও নেই।’

 

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে নগরীর মাষ্টারশেফ রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর কবীর সরকার।

 

সংবাদ সম্মেলনে তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, তাহেরপুর পৌরসভা মেয়র আবুল কালাম আজাদ,বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম সান্টু এবং উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কেরামুল হাসান সুজন।

 

সম্প্রতি সিল্কসিটি নিউজসহ বিভিন্ন পত্র পত্রিকাসহ গনমাধ্যমে বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী আলমগীর সরকারের জেএমবি সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে আলমগীর সরকারের সাথে সিদ্দিকুর রহমান বাংলাভাইয়ের বৈঠকের ছবিও প্রকাশ পায়।

 

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের নিজ বাড়িতে সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাইয়ের উপস্থিতিতে বৈঠকের কথা বলতে গিয়ে আলমগীর সরকার যা বলেন-

 

‘বাংলা ভাইয়ের ভিডিওটি আমি দেখেছি আপনাদের মাধ্যমে। আপনারা যারা লিখিতভাবে প্রকাশ করেছেন সেগুলো। মূলত আমার বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা দুটি ভাই। বড় ভাই জাহাঙ্গীর আমি আলমগীর। উনি ছিলেন চেয়ারম্যান। বাবা মারা যাওয়ার পরে আমরা দুই ভাই একই বাড়িতে পৃথক বসবাস করি। পৃথক খাই। আমাদের বাসাতে অনেকেই যায়-সেতো আপনারা জানেন। সেসময় পুঠিয়ার এএসপি ছিলেন আলমগীর কবীর স্যার। উনি উপস্থিত ছিলেন, উনি বসে ছিলেন আমাদের বাসাতে। উনি বললেন যে একটু বসব আপনাদের বাসাতে আমার বড় ভাইকে বলছে। উনার উপস্থিতিতেই বসার পরে কিছু সাংবাদিক ভাইয়েরা এসেছেন ওখানে। আকস্মিক। তারপরে আমি কিন্তু দেখিনি, ওই দিনই দেখছি যে সিদ্দিকুর রহমান বাংলাভাই। ওই দিনই দেখেছিলাম। আমি পাশের রুমে বসে থেকে কথা বলছিলাম। তো এক সাংবাদিকভাই বললেন, কেউ যদি থাকনে একটু পানি আনলে ভালো হতো। জাষ্ট এতটুকু। এটি ছিল আমার বাসায় না আমার ভাইয়ের বাসায়। এখন নিশ্চই আপনারা দেখেছেন ওখানে আমার কোন বক্তব্যও নেই। আমার কোন কথাও ওখানে নেই।’

 

এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বাগমারায় যারা জেএমবি বলে পরিচিত ছিল তাদের মূল পরিচয় ছিল সর্বহারা। যেমন একটা প্রবাদ আছে  এক নদীর দুই ধারা জেএমবিরাই সর্বহারা। সর্বহারারাই একসময় সর্বদল ছিল বাংলাভাইয়ের সময় তারাই জেএমবি হয়েছে। তাদের কার্যক্রম কিছু কিছু জায়গায় আছে।’

 

স/আর