সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
কল্পিত শহর ওয়াকান্ডার দেখা মেলে সেই ১৯৬৬ সালে। বইয়ের চিত্রকল্প থেকে তা রুপালি পর্দায় ধরা দেয় চলতি বছরের প্রথম দিকে। এবার সেই অত্যাধুনিক শহরের দেখা বাস্তবে মিলতে যাচ্ছে।
এ জন্য দুই হাজার একর জমির বরাদ্দও মিলেছে। বাস্তবের ওয়াকান্ডা শহরকে বেশ অত্যাধুনিক হিসেবেই গড়ে তোলা হবে। এতে থাকবে স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প কলকারখানা ও স্টেডিয়াম।

স্বপ্নের এ শহর তৈরি করতে যাচ্ছেন সেনেগালীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান র্যাপার-সিঙ্গার অ্যাকন।
শহরটির অবস্থান হবে সেনেগালের রাজধানী ডাকার থেকে অল্প দূরে। এ জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট অ্যাকনকে দুই হাজার একর জমি দান করেছেন।
মার্ভেল কমিকসের ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত কমিক বই ফ্যান্টাস্টিক ফোরে প্রথমবারের মতো অদ্ভূত ওয়াকান্ডারের দেখা মেলে।
চলতি বছর মুক্তি পাওয়া ব্ল্যাক প্যান্থার ছবিতে সেটিকে রুপালি পর্দায় তুলে আনা হয়। পাহাড় ঘেরা শহরটির অবস্থান সাহারা অঞ্চলের দক্ষিণে। উঁচু উঁচু বিল্ডিংয়ে ঘেরা শহরটিকে ছবিতে বেশ অত্যাধুনিক রূপেই তুলে ধরা হয়।

মজার ব্যাপার হলো, বাস্তবের নতুন শহরে পণ্য ও সেবা কেনাবেচার জন্য নতুন এক ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রচলন ঘটাবেন অ্যাকন। এ ডিজিটাল কয়েনের নাম হবে অ্যাকয়েন।
চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়ে এ শহর গড়ে তোলার ঘোষণার সময় ক্রিপ্টোকারেন্সির বিষয়টি তুলে ধরেন জনপ্রিয় এ গায়ক। এ কয়েন দিযে লেনদেনে একটি অ্যাপ চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যাপ দিয়ে স্মার্টফোন থেকেই সব কেনাকাটা করা যাবে।
এমনিতে অ্যাকন বেশ উচ্চাভিলাষী হিসেবেই পরিচিত। নিজস্ব শহর তৈরি কিংবা নিজের নামে মুদ্রার প্রচলনের ঘোষণা দিয়েই তিনি থেমে নেই।
আগামী মার্কিন নির্বাচনে অ্যাকন প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন।
ধনী এ গায়কের দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি হিরার খনিও আছে।
সিনেট অবলম্বনে









