লাইফ স্টাইল

শরীর ঠাণ্ডা রাখবে যেসব ফল

নিউজ ডেস্ক২৭ মার্চ ২০১৮২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

যেহারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে না পারলে কিন্তু বেজায় বিপদ। এক্ষেত্রে সানস্ট্রোকের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আর শরীরে গরমের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্টমাক আলসার, হাত-পায়ে জ্বালা করা, হার্ট বিট বেড়ে যাওয়া, চোখ জ্বালা করা, ত্বকে প্রদাহ এবং অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। ফলে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠতে সময় লাগে না।

তবে একটু সচেতন হলেই এসব শারীরিক সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি। এমনি কিছু খাবার রয়েছে যা শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। তাই এ গরমে যদি সুস্থ থাকতে চান তাহলে খেতেই হবে এই খাবারগুলি।

নিম্নে তেমনই কয়েকটি ফল, সবজি এবং পানীয় নিয়ে আলোচনা করা হলো:

ব্রকলি: এর স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে নিশ্চয় কারও মনে কোনও সন্দেহ নেই। একাধিক রোগ দূরে রাখতে ব্রকলির কোনও বিকল্প নেই। ব্রকলির সিংহভাগই পানিতে পূর্ণ। তাই তো শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে এবং ডিইহাইড্রেশনের আশঙ্কা কমাতে এই সবুজ রঙের সবজিটি দারুন কাজে আসে। ব্রকলি একটি প্রাকৃতিক ডেটক্স যা পেট এবং পাচনতন্ত্র পরিষ্কার রাখে। কাঁচা অথবা রান্না করে দুইভাবেই খাওয়া যায় ব্রকলি।

ডালিম: এই গরমে দেহের ভিতর তাপমাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে শরীরকে যদি সুস্থ রাখতে হয়, তাহলে নিয়মিত ডালিমের রস খেতে ভুলবেন না। কারণ এই ফলটির ভেতরে থাকা বেশকিছু উপকারি উপাদান শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সে সঙ্গে হার্ট, কিডনি এবং লিভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

শসা: এই সবজিটির ৯০ ভাগই পানিতে পূর্ণ। এই তীব্র গরমে শরীরে পানির ঘাটতি মেটানোর পাশাপাশি দেহকে ঠাণ্ডা রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শসা। তাই গরমকালে প্রতিদিন একটা করে শসা খেতে ভুলবেন না। এটা করলে তাপ প্রবাহ সম্পর্কিত কোনও রোগই আপনাকে ছুঁতে পারবে না।

তরমুজ: বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই ফলটির শরীরে প্রায় ৯০ শতাংশই পানিতে পূর্ণ। তাইতো গরমের সময় নিয়মিত তরমুজ খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতর পানির ঘাটতি দূর হতে থাকে। ফলে শরীরের তাপমাত্রা কমে চোখে পরার মতো।

তিল: এক গ্লাস পানিতে পরিমাণ মতো তিল ফেলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে উঠে মিশ্রনটি পান করুন। যদি নিয়মিত করতে পারেন, তাহলে একদিকে যেমন দেহের তাপমাত্রা কমবে, তেমনি নানাধরনের পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে আসবে। সে সঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটবে।

বিডি২৪লাইভ