সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
কিশোরগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের মধ্যে নিহত আবির রহমান চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে নিখোঁজ হন। আর এ ঘটনার প্রায় চার মাস পর ছেলের সন্ধান চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা সিরাজুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জে হামলার আগের দিন অর্থাৎ বুধবার (০৬ জুলাই) রাজধানীর ভাটারা থানায় এ জিডি করেন তিনি। কিন্তু নিখোঁজের বিষয়টি জানানো হয়নি তার কোনো আত্মীয়-স্বজনকে। হামলা করতে গিয়ে নিহত হওয়ার পর জেনেছেন তারা।

আবিরের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর শুক্রবার (০৮ জুলাই) সন্ধ্যায় তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ভানী ইউনিয়নের ত্রিবিদ্যা গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে শুধু আবিরের দুই চাচা ও তাদের পরিবারের লোকজন থাকেন। আবির তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকাতেই থাকতেন।
আবিরের চাচা সহিদুর রহমান জানান, আবিরের বাবা পেশায় একজন ঠিকাদার। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকাতেই থাকেন।
চার ভাইয়ের মধ্যে আবির সবার ছোট। বড়ভাই আশিকুর রহমান ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন, আরও দুইভাই আরিফুর রহমান ও আসিফুর রহমান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। আবির রাজধানীর একটি প্রতিষ্ঠান থেকে এ লেভেল পাস করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিতে ভর্তি হন।
‘বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ভাই (সিরাজুল ইসলাম) গ্রামের বাড়িতে তেমন আসা-যাওয়া করতেন না। মাঝে মধ্যে নিজের জায়গা-জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে যেতেন। তবে আবির নিখোঁজ হয়েছিলো বিষয়টি আমাদের কখনও জানানো হয়নি,’ বলেন তিনি।
আবিরের নিহত হওয়ার খবর শুনে তাদের বাড়িতে এসেছেন সহিদুর রহমানের মেয়ের জামাই নাছির উদ্দিনও।
তিনি বলেন, ‘এই পরিবারের অন্যান্যদের তুলনায় আমার সঙ্গেই বেশি আবিরের বাবার বেশি যোগাযোগ হয়। কিন্তু আমি নিখোঁজ হওয়া বা জঙ্গি তৎপরতার বিষয়টি কখনও শুনিনি।
এদিকে গত মার্চ থেকে নিখোঁজ হলেও ০৬ জুলাই অর্থাৎ বুধবার ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে ভাটারা থানায় একটি জিডি করেন আবিরের বাবা সিরাজুল ইসলাম।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘চলতি বছরের ১ মার্চ আবির নিখোঁজ হয়।’
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী বলেন, ‘প্রায় ৭-৮ মাস আগে এক বন্ধথুকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যান আবির।’
সূত্র: বাংলানিউজ









