সিল্কসিটিনিউ ডেস্ক:
গ্রাউন্ড অপারেশনের সক্ষমতা বাড়ানো, ফ্লাইটের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে প্রায় ২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। এরই মধ্যে এ খাতে ১২ মিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে।
আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে ১৪৬টি নতুন গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

এয়ারলাইনসটি জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের ব্যবস্থাপনায় প্রায় ৫৯০টি গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট রয়েছে। নতুন ১৪৬টি সরঞ্জামের মধ্যে থাকবে উড়োজাহাজ পুশব্যাক ট্রাক্টর ও টোবার, ব্যাগেজ বেল্ট লোডার, ব্যাগেজ ট্রাক্টর, প্যাসেঞ্জার বোর্ডিং স্টেয়ারস, গ্রাউন্ড পাওয়ার ইউনিট, এয়ার স্টার্ট ইউনিট, ক্যাটারিং ট্রাক, ওয়াটার ও ল্যাভাটরি সার্ভিস ট্রাকসহ বিভিন্ন র্যাম্প সাপোর্ট সরঞ্জাম।
ইউএস-বাংলার বহর সম্প্রসারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ গ্রাউন্ড সাপোর্ট বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে এয়ারলাইনসটির বহরে ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে আরো ২১টি বোয়িং ৭৩৭ সিরিজের উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বর্তমানে ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের সঙ্গে আরো প্রায় ১৬টি নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এয়ারলাইনসটি বলেছে, উড়োজাহাজের সময়ানুবর্তিতা ও ফ্লাইট পরিচালনার দক্ষতা শুধু উড়োজাহাজের ওপর নির্ভর করে না। আধুনিক গ্রাউন্ড ইকুইপমেন্ট, দক্ষ জনবল ও সমন্বিত গ্রাউন্ড ব্যবস্থাপনাও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও সিলেটে আঞ্চলিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও গ্রাউন্ড সাপোর্ট সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
পরিবেশবান্ধব গ্রাউন্ড অপারেশন গড়ে তুলতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮০টি ইলেকট্রিক ভেহিকেল পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে ইউএস-বাংলা। এসব যানবাহনের জন্য চার্জিং অবকাঠামো স্থাপনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
ইউএস-বাংলার দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন বড় বিমানবন্দরে এরই মধ্যে গ্রাউন্ড অপারেশনে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের জন্য চার্জিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে নিউইয়র্কের জেএফকে, লস অ্যাঞ্জেলেস, টরন্টো পিয়ারসন, লন্ডন হিথ্রো, আমস্টারডাম, দুবাই, দোহা, আবুধাবি, জেদ্দা, রিয়াদ, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর ও ব্যাংককের বিমানবন্দর রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে গ্রাউন্ড অপারেশনে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের মাধ্যমে জ্বালানির ওপর নির্ভরতা ও স্থানীয় পর্যায়ের কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে।
ইউএস-বাংলা জানিয়েছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বিমানবন্দর আধুনিকায়ন ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে তারা।









